ফুল চাষের জন্য উপযোগী বগুড়া জেলা। জেলায় ফুল চাষের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চাষ কাঙ্ক্ষিতভাবে বাড়েনি। জেলার চার উপজেলায় মাত্র ২৭ হেক্টর জমি ফুলচাষে ব্যবহার হচ্ছে। বগুড়ার কৃষি বিভাগ বলছে,
আগাম শীতকালীন সবজির ভালো ফলন হয়েছে শেরপুরে। জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে সব ধরনের সবজির আবাদে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। তবে ফুলকপিতে ডায়মন্ডব্যাক মথ রোগ দেখা দেওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
কুমিল্লা জেলার পাহাড়ের ঢালে ১৫০ শতক জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে পলি সেট নির্মাণ করে বারি-৪ টমেটো চাষ করেছেন জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের খাইরুল। এখনো শীত না আসলেও তার আগেই মাচায়
আমনের সবুজ মাঠে সোনালি ধানের শীষের হাসি। বোরো মৌসুমের মতো সেচ পাম্প চালিয়ে মাঠে রোপা আমনে সবুজের ঢেউয়ের সাথে সোনালি ধানের শীষের হাসি ফুটিয়েছেন কুমিল্লার কৃষকরা। জেলায় ১ লাখ ১৫
জেলার চান্দিনার শ্রীমন্তপুর গ্রামের মানুষ পটল চাষ করে তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছে। কয়েক বছর আগে ওই সব জমিগুলোতে কোন প্রকার চাষাবাদ হতো না এবং তাদের অভাব অনটন লেগে থাকতো। কিন্তু
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার আদর্শ কৃষক বদরুল আলম কৃষি বিভাগের উদ্ভাবন করা নতুন জাতের কুল বলসুন্দরী বাগান করে এলাকার জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এই জাতের বাগান করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।