ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় যুক্তরাজ্য : ব্রিটিশ হাইকমিশনার Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের Logo ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে ঘাটতির আশংকা নেই Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বিএনপি সরকারের উদ্যোগ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া Logo ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘর থেকেই শুরু হোক Logo মনের জটিল জট খোলার মতো ১০টি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা

নীলফামারীতে অর্থ আত্মসাৎ, মামলা ও হামলার প্রতিবাদে খামারিদের মানববন্ধন

সরকারিভাবে গরু ও ছাগল পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, মামলা ও হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন করেছেন গরু ও ছাগল পালনকারী খামারিরা। সোমবার দুপুরে নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পলাশবাড়ী ইউনিয়নের খামারিরা এ মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে হযরত আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে খামারিরা বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় গরু ও ছাগল পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। পরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গরু-ছাগল না দিয়ে সেই টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ করেন তারা। খামারিদের দাবি, হযরত আলীর কাছে তাদের মোট ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ টাকা পাওনা রয়েছে। মানববন্ধনে খামারি নুরনবি, লাকি বেগম, সিরাজ মুন্সি, ইদ্রিস আলী ও সঞ্জিত রায় বক্তব্য দেন। তারা অভিযোগ করেন, পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তারা। খামারিরা বলেন, সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে গরু ও ছাগল পাওয়ার আশায় তারা হযরত আলীকে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও তারা গরু-ছাগল পাননি, এমনকি জমা দেওয়া টাকাও ফেরত পাচ্ছেন না। ফলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, হযরত আলীর কাছে থাকা ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ টাকা দ্রুত ফেরত, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। মানববন্ধন শেষে খামারিদের একটি প্রতিনিধি দল নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বিষয়টি তদন্ত করে তাদের অর্থ ফেরত এবং হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে হযরত আলীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নীলফামারীতে অর্থ আত্মসাৎ, মামলা ও হামলার প্রতিবাদে খামারিদের মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৩:১৯:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারিভাবে গরু ও ছাগল পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, মামলা ও হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন করেছেন গরু ও ছাগল পালনকারী খামারিরা। সোমবার দুপুরে নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পলাশবাড়ী ইউনিয়নের খামারিরা এ মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে হযরত আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে খামারিরা বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় গরু ও ছাগল পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। পরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গরু-ছাগল না দিয়ে সেই টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ করেন তারা। খামারিদের দাবি, হযরত আলীর কাছে তাদের মোট ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ টাকা পাওনা রয়েছে। মানববন্ধনে খামারি নুরনবি, লাকি বেগম, সিরাজ মুন্সি, ইদ্রিস আলী ও সঞ্জিত রায় বক্তব্য দেন। তারা অভিযোগ করেন, পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তারা। খামারিরা বলেন, সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে গরু ও ছাগল পাওয়ার আশায় তারা হযরত আলীকে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও তারা গরু-ছাগল পাননি, এমনকি জমা দেওয়া টাকাও ফেরত পাচ্ছেন না। ফলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, হযরত আলীর কাছে থাকা ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ টাকা দ্রুত ফেরত, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। মানববন্ধন শেষে খামারিদের একটি প্রতিনিধি দল নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বিষয়টি তদন্ত করে তাদের অর্থ ফেরত এবং হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে হযরত আলীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।