ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাবি অক্সফোর্ড হলে রাবিকে ক্যামব্রিজ করতে চাই: রিজভী Logo তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে Logo গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে : বিরোধীদলীয় নেতা Logo অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে দক্ষিণ কোরিয়ায় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল Logo সবজি চাষে রংপুরের নারী উদ্যোক্তা সেলিনার বাজিমাত Logo অর্থ ছাড়ের অভাবে থমকে আছে সুন্দরবনঘেঁষা কয়রা পর্যটন কেন্দ্রের নির্মাণ Logo ঢাকায় বাস রুট ৯৮ থেকে কমে ৩২ হচ্ছে, ৬টির উদ্বোধন আজ Logo মিরসরাইয়ে ব্ল্যাক রাইস চাষ করে তাক লাগিয়েছে উদ্যোক্তা সোহেল Logo পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, পাবনার রূপপুরে শুরু হলো পাওয়ার স্টার্টআপ ‘স্টেজ-সি’ কার্যক্রম Logo এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে : বিরোধীদলীয় নেতা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, আমরা কোনো ব্যক্তিগত ও দলীয় দাবি নিয়ে রাস্তায় নামিনি। এসব জনগণের দাবি। আমাদের আগের দুটি লংমার্চ জনগণের সহযোগিতায় সফল হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের সাত দফা দাবির মধ্যে মূল দাবি হলো গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করা। যদি এ দাবি আদায় হতো তাহলে বাকী ৬টি দাবি মাথাচাড়া দিতো না।
৩১ অক্টোবর শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ; দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ লংমার্চ করছে ১১ দলীয় ঐক্য।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি সরকার জনগণের সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে, আশাহত করেছে। বিএনপি যদি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে তাহলে চড়া মূল্য দিতে হবে। বিএনপি অতীত থেকে শিক্ষা নেয়নি। বরং, তারা নতুন নতুন জঞ্জাল সৃষ্টি করছে।
তিনি বলেন, অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছে, তারা তাদের পরিণতি ভোগ করছে। আমরা পরিস্কার বলে দিচ্ছি, আপনারা আমাদের দাবি মেনে নেন। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করুন। আমাদের দাবি আদায় করে আমরা ছাড়বো।
যুব সমাজকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তোমরা কারো ছলনায় কান দিও না। আরেকটি বিপ্লব আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। জনগণের দাবি আদায়ে তিনি জনগণকে লংমার্চ সফর করার আহ্বান জানান।
এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, আমরা চাই দেশটা ভালোভাবে চলুক। সিস্টেম ভালো না থাকলে দেশ ভালোভাবে চলতে পারে না। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর জেলা, সিটি করপোরেশন, বিভিন্ন করপোরেশন এখন বিএনপির কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে। সেখান থেকে সমস্ত টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেন, আমরা জুলাই বিপ্লবের প্রতি আমাদের কমিটমেন্ট পুনর্ব্যক্ত করছি। আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আসছি। সরকার গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে গাদ্দারি করছে, জনগণকে অসম্মান করছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট অবৈধ হলে এ সরকার ও সংসদও বৈধ হতে পারে না। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তেল গ্যাস সংকটে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করায় দেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বেড়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিএনপি ভুল পথে পা বাড়িয়ে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে। সংবিধান সংস্কার না করে সংবিধান সংশোধন কমিটি করে সরকার একদলীয় শাসনের পথে হাঁটছে। জুলাই সনদের সাথে গাদ্দারি করে সরকার জনগণকে লাল কার্ড দেখিয়েছি। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলের কর্মীদের আহত করার নিন্দা জানান তিনি।
জামায়ামের নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর মাওলনা আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, জাগপা সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান,জামায়ামের নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
লাখো জনতার উপস্থিতিতে উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লংমার্চের বহর খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখে রওনা দেয়।
পথে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা; বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়; খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর ও ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বর; যশোরের মুড়লীর মোড়; ঝিনাইদহের বাস টার্মিনালের পথসভায় যোগ দেবে লংমার্চের বহর। সবশেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়াও লংমার্চ রুটের বিভিন্ন স্থানের গণজমায়েত স্থলে অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য রাখবেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ। রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় সংগঠনের ১১ দলের নেতাকর্মীদের দেয়া অভিবাদন গ্রহণ করবে লংমার্চের বহর। উল্লেখ্য, দাবি আদায়ে ১১ দল গত ৫ সেপ্টেম্বর প্রথম লংমার্চ করে চট্টগ্রাম অভিমুখে, দ্বিতীয়টি ১৯ সেপ্টেম্বর করে রংপুর অভিমুখে।
পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গোপালগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের পথসভা
৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ করছে ১১ দলীয় ঐক্য। লংমার্চ কর্মসূচির সময় বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা করা হচ্ছে। তবে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পথসভা করে ১১ দলীয় ঐক্য।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটে গতবছর। হামলার জন্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয় সে সময়। ১৫ মাস পর গোপালগঞ্জের ওপর দিয়ে লংমার্চেরে গাড়িবহর গেলো ১১ দলীয় ঐক্যের।
জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজে দেওয়া বিবৃতিতে জানা যায় যে, দুপুর পৌনে ১২টায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির ভাটিয়াপাড়া মোড়ে ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চ উপলক্ষে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। লংমার্চের বহর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয়দের অনেকে লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানায়। এসময় জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্যও রাখেন। তিনি ১১ দলের সাত দফা দাবি আদায়ে অনঢ় ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। কাশিয়ানির পথসভা শেষে লংমার্চের বহর খুলনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
এর আগে সকাল ১০টায় শরীয়তপুরের নাওডোবায় এক পথসভায় যোগ দেয় লংমার্চের বহর। সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে দাবি আদায়ে ১১ দল গত ৫ সেপ্টেম্বর প্রথম লংমার্চ করে চট্টগ্রাম অভিমুখে, দ্বিতীয়টি ১৯ সেপ্টেম্বর করে রংপুর অভিমুখে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবি অক্সফোর্ড হলে রাবিকে ক্যামব্রিজ করতে চাই: রিজভী

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে : বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট সময় ০৮:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, আমরা কোনো ব্যক্তিগত ও দলীয় দাবি নিয়ে রাস্তায় নামিনি। এসব জনগণের দাবি। আমাদের আগের দুটি লংমার্চ জনগণের সহযোগিতায় সফল হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের সাত দফা দাবির মধ্যে মূল দাবি হলো গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করা। যদি এ দাবি আদায় হতো তাহলে বাকী ৬টি দাবি মাথাচাড়া দিতো না।
৩১ অক্টোবর শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ; দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ লংমার্চ করছে ১১ দলীয় ঐক্য।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি সরকার জনগণের সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে, আশাহত করেছে। বিএনপি যদি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে তাহলে চড়া মূল্য দিতে হবে। বিএনপি অতীত থেকে শিক্ষা নেয়নি। বরং, তারা নতুন নতুন জঞ্জাল সৃষ্টি করছে।
তিনি বলেন, অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছে, তারা তাদের পরিণতি ভোগ করছে। আমরা পরিস্কার বলে দিচ্ছি, আপনারা আমাদের দাবি মেনে নেন। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করুন। আমাদের দাবি আদায় করে আমরা ছাড়বো।
যুব সমাজকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তোমরা কারো ছলনায় কান দিও না। আরেকটি বিপ্লব আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। জনগণের দাবি আদায়ে তিনি জনগণকে লংমার্চ সফর করার আহ্বান জানান।
এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, আমরা চাই দেশটা ভালোভাবে চলুক। সিস্টেম ভালো না থাকলে দেশ ভালোভাবে চলতে পারে না। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর জেলা, সিটি করপোরেশন, বিভিন্ন করপোরেশন এখন বিএনপির কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে। সেখান থেকে সমস্ত টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেন, আমরা জুলাই বিপ্লবের প্রতি আমাদের কমিটমেন্ট পুনর্ব্যক্ত করছি। আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আসছি। সরকার গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে গাদ্দারি করছে, জনগণকে অসম্মান করছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট অবৈধ হলে এ সরকার ও সংসদও বৈধ হতে পারে না। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তেল গ্যাস সংকটে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করায় দেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বেড়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিএনপি ভুল পথে পা বাড়িয়ে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে। সংবিধান সংস্কার না করে সংবিধান সংশোধন কমিটি করে সরকার একদলীয় শাসনের পথে হাঁটছে। জুলাই সনদের সাথে গাদ্দারি করে সরকার জনগণকে লাল কার্ড দেখিয়েছি। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলের কর্মীদের আহত করার নিন্দা জানান তিনি।
জামায়ামের নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর মাওলনা আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, জাগপা সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান,জামায়ামের নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
লাখো জনতার উপস্থিতিতে উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লংমার্চের বহর খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখে রওনা দেয়।
পথে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা; বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়; খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর ও ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বর; যশোরের মুড়লীর মোড়; ঝিনাইদহের বাস টার্মিনালের পথসভায় যোগ দেবে লংমার্চের বহর। সবশেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়াও লংমার্চ রুটের বিভিন্ন স্থানের গণজমায়েত স্থলে অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য রাখবেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ। রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় সংগঠনের ১১ দলের নেতাকর্মীদের দেয়া অভিবাদন গ্রহণ করবে লংমার্চের বহর। উল্লেখ্য, দাবি আদায়ে ১১ দল গত ৫ সেপ্টেম্বর প্রথম লংমার্চ করে চট্টগ্রাম অভিমুখে, দ্বিতীয়টি ১৯ সেপ্টেম্বর করে রংপুর অভিমুখে।
পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গোপালগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের পথসভা
৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ করছে ১১ দলীয় ঐক্য। লংমার্চ কর্মসূচির সময় বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা করা হচ্ছে। তবে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পথসভা করে ১১ দলীয় ঐক্য।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটে গতবছর। হামলার জন্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয় সে সময়। ১৫ মাস পর গোপালগঞ্জের ওপর দিয়ে লংমার্চেরে গাড়িবহর গেলো ১১ দলীয় ঐক্যের।
জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজে দেওয়া বিবৃতিতে জানা যায় যে, দুপুর পৌনে ১২টায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির ভাটিয়াপাড়া মোড়ে ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চ উপলক্ষে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। লংমার্চের বহর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয়দের অনেকে লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানায়। এসময় জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্যও রাখেন। তিনি ১১ দলের সাত দফা দাবি আদায়ে অনঢ় ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। কাশিয়ানির পথসভা শেষে লংমার্চের বহর খুলনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
এর আগে সকাল ১০টায় শরীয়তপুরের নাওডোবায় এক পথসভায় যোগ দেয় লংমার্চের বহর। সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে দাবি আদায়ে ১১ দল গত ৫ সেপ্টেম্বর প্রথম লংমার্চ করে চট্টগ্রাম অভিমুখে, দ্বিতীয়টি ১৯ সেপ্টেম্বর করে রংপুর অভিমুখে।