ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজাদপুরে কবরস্থান ভাংচুরের ঘটনায় উত্তেজনা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কবরস্থান ভাংচুরের ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পৌর শহরের ছয়আনীপাড়ায় একটি শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক কবরস্থান ভাঙচুর, অপসারণ এবং দখলচেষ্টার অভিযোগ ওঠে বেশকিছু দিন আগে। এ ঘটনার বেশকিছু দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানাগেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। কবর ভাংচুরের ঘটনায় সম্প্রতি সৈয়দা আঞ্জুমান আরা নামে একজন একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সাধারণ ডায়েরি করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানাগেছে। অভিযোগকারী আঞ্জুমান আরা ও স্থানীয়দের দাবি, কবরস্থানের অস্তিত্ব নষ্টের এ ধরনের কর্মকা- শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতেই আঘাত করেনি, বরং এলাকায় দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও হুমকির মুখে ফেলেছে। সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে , গত মে মাসের ১৮ তারিখে মরহুম আবুল মকসুদ খান এর ছেলে রাকিবুল হাসান মিন্টু, মাহফুুজুর রহমান রন্টু, মরহুম ফরিদ খানের ছেলে মোঃ বিপ্লব হোসেন, মরহুম আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ বিপ্লব, মরহুম তারা মিয়ার ছেলে মোঃ শাহানের নেতৃত্বে ছয়আনীপাড়া মসজিদের সামনের কবরস্থানে ভাংচুর করে একটি কবর মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে কবরটি ভাঙা হয়েছে ওই কবরটি শাহজাদপুরের সাবেক পোস্ট মাস্টার আব্দুল মজিদ খানের কবর বলে জানাগেছে। এ বিষয়ে অভিযোগকারী বলেন, এটা শুধু কবরস্থান নয়, এটা আমাদের পূর্বপুরুষদের স্মৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। কবরস্থান ভাঙচুরের মাধ্যমে একটি গোষ্ঠী সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। এব্যাপারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। কবরস্থানকে ঘীরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তেজনা আরো বাড়ছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ছয়আনীপাড়ার সাইদুল ইসলাম রাঙা নামে একজন শাহজাদপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে জানাগেছে। রকিবুল ইসলাম খান সহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে জিডিতে।
এব্যাপারে, আবু আল মঈন খান রিন্টু বলেন, জায়গাটি আমাদের পারিবারিক। কবরটি কয়েক বছর আগেরই ভাঙ্গা ছিলো। ওখানে পানি জমে থাকতো তাই পানি নিষ্কাশন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য পরিস্কার করা হয়েছে। আবু আল মইন খান রিন্টু জানান, আমাদের পক্ষ থেকেও শাহজাদপুর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। এদিকে সাধারণ জনগণের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হোক এবিষয়টি তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে শাহজাদপুর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজাদপুরে কবরস্থান ভাংচুরের ঘটনায় উত্তেজনা

আপডেট সময় ০৬:০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কবরস্থান ভাংচুরের ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পৌর শহরের ছয়আনীপাড়ায় একটি শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক কবরস্থান ভাঙচুর, অপসারণ এবং দখলচেষ্টার অভিযোগ ওঠে বেশকিছু দিন আগে। এ ঘটনার বেশকিছু দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানাগেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। কবর ভাংচুরের ঘটনায় সম্প্রতি সৈয়দা আঞ্জুমান আরা নামে একজন একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সাধারণ ডায়েরি করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানাগেছে। অভিযোগকারী আঞ্জুমান আরা ও স্থানীয়দের দাবি, কবরস্থানের অস্তিত্ব নষ্টের এ ধরনের কর্মকা- শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতেই আঘাত করেনি, বরং এলাকায় দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও হুমকির মুখে ফেলেছে। সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে , গত মে মাসের ১৮ তারিখে মরহুম আবুল মকসুদ খান এর ছেলে রাকিবুল হাসান মিন্টু, মাহফুুজুর রহমান রন্টু, মরহুম ফরিদ খানের ছেলে মোঃ বিপ্লব হোসেন, মরহুম আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ বিপ্লব, মরহুম তারা মিয়ার ছেলে মোঃ শাহানের নেতৃত্বে ছয়আনীপাড়া মসজিদের সামনের কবরস্থানে ভাংচুর করে একটি কবর মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে কবরটি ভাঙা হয়েছে ওই কবরটি শাহজাদপুরের সাবেক পোস্ট মাস্টার আব্দুল মজিদ খানের কবর বলে জানাগেছে। এ বিষয়ে অভিযোগকারী বলেন, এটা শুধু কবরস্থান নয়, এটা আমাদের পূর্বপুরুষদের স্মৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। কবরস্থান ভাঙচুরের মাধ্যমে একটি গোষ্ঠী সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। এব্যাপারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। কবরস্থানকে ঘীরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তেজনা আরো বাড়ছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ছয়আনীপাড়ার সাইদুল ইসলাম রাঙা নামে একজন শাহজাদপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে জানাগেছে। রকিবুল ইসলাম খান সহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে জিডিতে।
এব্যাপারে, আবু আল মঈন খান রিন্টু বলেন, জায়গাটি আমাদের পারিবারিক। কবরটি কয়েক বছর আগেরই ভাঙ্গা ছিলো। ওখানে পানি জমে থাকতো তাই পানি নিষ্কাশন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য পরিস্কার করা হয়েছে। আবু আল মইন খান রিন্টু জানান, আমাদের পক্ষ থেকেও শাহজাদপুর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। এদিকে সাধারণ জনগণের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হোক এবিষয়টি তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে শাহজাদপুর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।