ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের Logo অন্যায় করে কেউ পার পাবে না; ডা. শফিকুর রহমান Logo বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি ও সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে Logo শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে শান্তিপূর্ণ,সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রী Logo নাটোরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১৪ Logo মেয়েদের আইপিএলের নিলামে নেই বাংলাদেশের কেউ Logo এআইকে দেওয়া তথ্য ডার্ক ওয়েবে আছে কি না জানুন Logo কখন গোসল করা ভালো সকালে নাকি রাতে? Logo ৭ সেকেন্ডে ৫ রাউন্ড গুলি, বাড়লো সালমান খানের নিরাপত্তা Logo অজ্ঞতাবশত বিতর্ক মানুষকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়

গুরুদাসপুরে চাকরির প্রলোভনে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

পিতা-পুত্রের প্রতারণা

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়ার প্রলোভনে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতারক পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন- গুরুদাসপুরের ঝাউপাড়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আব্দুল গণি মিয়া ও তার পুত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের কথিত এডি আব্দুল মোনায়েম। শনিবার দুুপুরে স্থানীয় চলনবিল প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী উপজেলার বিয়াঘাট গ্রামের নাজিম উদ্দিন, শিক্ষক (অব.) আব্দুর রশিদ, বাহারুল ইসলাম ও মসজিদের ইমাম মাওলানা ইউনুস আলী। ভুক্তভোগী নাজিম বলেন- ‘২০২৪ সালে তাকে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক (এডি) পদে চাকরি দেয়ার নাম করে ৩০ লক্ষ টাকা নেন মোনায়েম। প্রদেয় টাকার পরিবর্র্তে চেক দেন তার পিতা গণি মিয়া (হিসাব নং ৪৯০৬০০২০৩২৬২৮)। ২০২৬ সালের ১২ মার্চে দেয়া ওই চেক ব্যাংকে ডিজঅনার হয়।’এদিকে চাঁচকৈড় মধ্যমপাড়া মহল্লার মাও. ইউনুস আলীকেও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ফিল্ড অফিসার পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে ১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন পিতা-পুত্র। চাঁচকৈড় বাজারের কাজী আব্দুল্লাহকে ব্যাংক থেকে বড় অংকের লোন পাইয়ে দেয়ার কথা বলেও ৯৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তারা। অভিযোগে আরো জানা যায়, উপজেলার শিকারপুুর বাহাদুরপাড়া গ্রামের মাওলানা আব্দুল বারী ছেলে বাহারল ইসলামের কাছ থেকে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নেয়া হয়। বাহারুলকে ইসলামী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার পদে চাকরি দেয়ার কথা ছিল। প্রতারক গণি তার বন্ধু আব্দুর রশিদকেও ছাড়েননি। ১৬ বছর আগে জমি রেজিষ্ট্রির সময় বিপদে পড়ে ৭৫ হাজার টাকা ধার নেন গণি। সেই টাকা আজও দেননি। এভাবে প্রতারণা করে পিতা-পুত্র অনেকের বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। চাঁচকৈড় বাজারের মুুদি দোকানী মিঠু প্রামাণিক বলেন-মাদ্রাসার সুপার ও তার ছেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পরিচয় দিয়ে আমাকে লোন দিতে চান। এ ব্যাপারে ৭ হাজার টাকা নেন। এরপর তারা ধরা ছোয়ার বাইরে। অভিযুক্ত মোনায়েম জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়। চেকের বিষয়টি মাদ্রাসার সমিতি সংক্রান্ত। মিথ্যে সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের ভাবমুর্তি নষ্ট করা হচ্ছে। গুরুদাসপুর থানার ওসি মনজুরুল আলম বলেন, ‘পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে থানায় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ৃ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

গুরুদাসপুরে চাকরির প্রলোভনে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:৩৬:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

পিতা-পুত্রের প্রতারণা

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়ার প্রলোভনে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতারক পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন- গুরুদাসপুরের ঝাউপাড়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আব্দুল গণি মিয়া ও তার পুত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের কথিত এডি আব্দুল মোনায়েম। শনিবার দুুপুরে স্থানীয় চলনবিল প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী উপজেলার বিয়াঘাট গ্রামের নাজিম উদ্দিন, শিক্ষক (অব.) আব্দুর রশিদ, বাহারুল ইসলাম ও মসজিদের ইমাম মাওলানা ইউনুস আলী। ভুক্তভোগী নাজিম বলেন- ‘২০২৪ সালে তাকে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক (এডি) পদে চাকরি দেয়ার নাম করে ৩০ লক্ষ টাকা নেন মোনায়েম। প্রদেয় টাকার পরিবর্র্তে চেক দেন তার পিতা গণি মিয়া (হিসাব নং ৪৯০৬০০২০৩২৬২৮)। ২০২৬ সালের ১২ মার্চে দেয়া ওই চেক ব্যাংকে ডিজঅনার হয়।’এদিকে চাঁচকৈড় মধ্যমপাড়া মহল্লার মাও. ইউনুস আলীকেও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ফিল্ড অফিসার পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে ১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন পিতা-পুত্র। চাঁচকৈড় বাজারের কাজী আব্দুল্লাহকে ব্যাংক থেকে বড় অংকের লোন পাইয়ে দেয়ার কথা বলেও ৯৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তারা। অভিযোগে আরো জানা যায়, উপজেলার শিকারপুুর বাহাদুরপাড়া গ্রামের মাওলানা আব্দুল বারী ছেলে বাহারল ইসলামের কাছ থেকে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নেয়া হয়। বাহারুলকে ইসলামী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার পদে চাকরি দেয়ার কথা ছিল। প্রতারক গণি তার বন্ধু আব্দুর রশিদকেও ছাড়েননি। ১৬ বছর আগে জমি রেজিষ্ট্রির সময় বিপদে পড়ে ৭৫ হাজার টাকা ধার নেন গণি। সেই টাকা আজও দেননি। এভাবে প্রতারণা করে পিতা-পুত্র অনেকের বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। চাঁচকৈড় বাজারের মুুদি দোকানী মিঠু প্রামাণিক বলেন-মাদ্রাসার সুপার ও তার ছেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পরিচয় দিয়ে আমাকে লোন দিতে চান। এ ব্যাপারে ৭ হাজার টাকা নেন। এরপর তারা ধরা ছোয়ার বাইরে। অভিযুক্ত মোনায়েম জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়। চেকের বিষয়টি মাদ্রাসার সমিতি সংক্রান্ত। মিথ্যে সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের ভাবমুর্তি নষ্ট করা হচ্ছে। গুরুদাসপুর থানার ওসি মনজুরুল আলম বলেন, ‘পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে থানায় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ৃ