শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

বৃষ্টিতে চা বাগানে ফিরেছে প্রাণ

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩

টানা খরা আর অধিক তাপমাত্রায় চলতি মৌসুমে চা উৎপাদনে ভাটা পড়ে বিপর্যয় নামে চা শিল্পে। তবে গত ৬ দিন ধরে টানা ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারে। স্বস্তির এই বৃষ্টিতে কমেছে তাপমাত্রা। বৃষ্টির পানি গায়ে মেখে জেলার চা বাগানগুলোও সজিব ও সতেজ হয়ে উঠেছে। প্রাণ ফিরে পেয়েছে দু’টি পাতা ও একটি কুঁড়ি।
তবে চা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দিনে রোদ আর রাতে বৃষ্টি হচ্ছে চা বাগানের জন্য আশির্বাদ। অনাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টি দুটোই ক্ষতিকর গাছের জন্য। গত সোমবার (১৯ জুন) বিকেলে জেলার কয়েকটি চা বাগানে গিয়ে দেখা গেছে, অধিক তাপমাত্রার কারণে সবুজ চা গাছের ডগায় আটকে পড়া কুঁড়িগুলো যেন হাসছে। খরায় মলিন হয়ে যাওয়া চা গাছগুলো প্রাণ ফিরে পেয়েছে। যেন আষাঢ়ের মেঘলা দিনে চারপাশে সবুজের মেলা বসেছে। মেঘের কারণে চা শ্রমিকরাও কম সময়ে কাজ করে ঘরে ফিরেছেন। বৃষ্টির সময় গাছের নিচে পানি জমাট হলে ক্ষতির শঙ্কা থাকে।
শ্রীমঙ্গল ‘এমআর খান’ চা বাগানের জেনারেল ম্যানেজার জহির আহমদ চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টিতে চায়ের ভালো হয়েছে। দীর্ঘ খরায় বাগানগুলোর এমন অবস্থা হয়েছিল। কৃত্রিমভাবে পানি সেচ দিয়েও কচি পাতা-কুঁড়ি রক্ষা করা যায়নি। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় বাগানে রোগবালাই দেখা দিয়েছিল।
তবে বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরলেও ভারী বর্ষণে গাছের নিচে পানি জমে গেলে পাতা তোলা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। দিনের বেলা রোদের দেখা না পাওয়ায় চা গাছের কিছুটা ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝড় বৃষ্টির সঙ্গে শ্রীমঙ্গলে বজ্রপাতের ঘটনায় চা শ্রমিকদের মধ্যেও রয়েছে আতংক। বজ্রপাতে শ্রীমঙ্গলে দুজন মারা যাওয়ার ঘটনায় শ্রমিকরা সহজে কাজে আসতে চাচ্ছেন না বলেও জানান তিনি।
রাজনগর চা বাগানের সহকারী ম্যানেজার শাহাব উদ্দিন আহমদ জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টির জন্য হাহাকার অবস্থা বিরাজ করছিল। অনাবৃষ্টি আর অধিক তাপমাত্রায় চা গাছে কুঁড়ি না আসায় উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছিল। এখন অতিবৃষ্টিতেও চায়ের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। চা গাছের পরিচর্যা করা যাচ্ছে না। বৃষ্টি চা গাছের জন্য ভালো, তবে লাগাতার বৃষ্টি ক্ষতিকর। রোদ-বৃষ্টির সমতা চায়ের জন্য আশির্বাদ।
রাজনগর উপজেলার চানভাগ চা বাগোনের ম্যানেজার মুজিবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টি চা বাগানের জন্য উপকারী। অনেকদিন পর যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে এতে চা গাছের উপকার হবে। তবে অতিবৃষ্টিতে চা গাছের গোড়ায় যাতে পানি না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তা না হলে গাছের ক্ষতি হবে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আনিসুর রহমান বলেন, সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে ২২.২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ২৪ জুন পর্যন্ত এমন বৃষ্টিপাতের সম্ভবানা রয়েছে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com