কয়রা উপজেলার চান্নিরচক গ্রামের অনিতা বৈদ্য (স্বামী: ভূপতি বৈদ্য) ৭ই জুলাই সোমবার, বেলা ১১টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে এক লিখিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে চাকুরী সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন নিয়ে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে অনিতা বৈদ্য জানান, ২০২৩ সালে তার ছেলে রাহুল বৈদ্যের চাকুরীর জন্য স্থানীয় চান্নিরচক গ্রামের আব্দুল জব্বার সরদারের পুত্র আব্দুল রাজ্জাকের সাথে যে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসা করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, এই ঘটনার সাথে হরিনগর গ্রামের অহিদুজ্জামান কালু এবং মনিরুজ্জামান মন্টুর কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যেই অসত্যভাবে তাদের নাম জড়ানো হয়েছিল। অনিতা বৈদ্য আরও জানান, সম্প্রতি একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে তার বাড়িতে যান, যাকে তিনি চিনতেন না এবং বাড়িতে আমন্ত্রণও জানাননি। ওই ব্যক্তির প্ররোচনাতেই তিনি ভিডিও সাক্ষাৎকারে মনিরুজ্জামান মন্টু ও অহিদুজ্জামান কালুর নাম উল্লেখ করেছিলেন, যা তাকে ভুল বুঝিয়ে করানো হয়েছিল। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন যে তার নাম ব্যবহার করে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা তার সম্পূর্ণ অজানা ছিল। অনিতা বৈদ্য প্রকাশিত এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।