জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ‘ডব্লিউআইসিসিআই অ্যাওয়ার্ড ২০২১ ফর উইমেন অব দ্য ডিকেড ইন পাবলিক লাইফ অ্যান্ড লিডারশিপ’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। গত শনিবার বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিল অব দ্য উইমেন্স ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডব্লিউআইসিসিআই) উদ্যোগে আয়োজিত এশিয়ান উইমেন এন্ট্রাপ্রেনিউরস সামিট-২০২১ শীর্ষক আয়োজনে তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। নারীদের উন্নয়নে দীর্ঘদিন কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ এ সম্মাননা পেলেন তিনি।
৬-৭ ফেব্রুয়ারি দুইদিনের এ আয়োজনের প্রথম দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. মাই আল-কাইলা। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান।
আয়োজনে শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ঋণ ও মূলধনের অপর্যাপ্ততা নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা। এতে যুক্ত হয়েছে কভিড-১৯। করোনা মহামারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে এ ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি। এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত ঋণ, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।
ডব্লিউআইসিসিআই ১২০টি দেশের প্রায় আড়াই লাখ নারী সদস্যদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে শিল্পোদ্যোক্তা ও নারী নেতৃত্ব গঠন তথা নারীর ক্ষমতায়নে মানবহিতৈষী মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে নারী উন্নয়নে দীর্ঘদিন কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্টজনদের সম্মাননা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর আগে এ সম্মাননা পেয়েছেন মাল্টার প্রেসিডেন্ট মারি লুইস কোলেইরো প্রেসা, কোস্টারিকার প্রেসিডেন্ট লরা সিনসিলা মিরান্ডা, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড, চিলির প্রেসিডেন্ট ড. মিসেল ব্যাচেলেট, কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট রোযা ইসাকোভনা ওতুনবায়েভা, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী চেরি ব্লেয়ার, তিউনিসিয়ার নোবেল বিজয়ী ওয়েদেদ বৌসামেউই, গুয়াতেমালার নোবেল বিজয়ী রিগোবার্তা মেন্সু প্রমুখ।