শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় টুনা মাছের চারটি বাণিজ্যিক প্রজাতি ফের বাড়ছে

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় টুনা মাছের চারটি বাণিজ্যিক প্রজাতি ফের বাড়ছে। সামুদ্রিক প্রাণিবৈচিত্র্যের হুমকির মধ্যে এ খবর আশা জাগানিয়া। গত শনিবার ৪ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) তাদের বিলুপ্ত প্রজাতির লাল তালিকা প্রকাশ করে। এতে উঠে আসে ইতিবাচক এ তথ্য। আইইউসিএন-এর পরিচালক ড. ব্রুনো ওবেরলি বলেন, এ লাল তালিকা আমাদের এ শক্তিশালী বার্তা দেয় যে, ক্রমাগত সামুদ্রিক প্রজাতির ওপর চাপ থাকার পরও শুধু টেকসই অনুশীলনের কারণে বিলুপ্ত অনেক প্রজাতি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। এই লাল তালিকা আমাদের দেখায় আমাদের জীবন ও জীবিকা জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে কতটা নিবিড়ভাবে জড়িত।
প্রকাশিত লাল তালিকায় সাতটি টুনা প্রজাতির মূল্যায়ন করা হয়েছে। যাদের মধ্যে চারটি প্রজাতিই টেকসই মাছ ধরার কোটা পূরণ করতে পেরেছে অবৈধভাবে শিকার হওয়ার পরও।
আটলান্টিক ব্লুফিন টুনা বিপন্ন তালিকা থেকে ফিরে এসেছে। তবে দক্ষিণী ব্লুফিন টুনা চলে গেছে আরও বিপন্ন অবস্থানে। অ্যালব্যাকোর হিসেবে পরিচিত লংফিন টুনা ও ইয়েলোফিন টুনা এখন বিলুপ্তির পথ থেকে কিছুটা হুমকিমুক্ত। প্রজাতি স্তরে বিশ্বব্যাপী উন্নতির পরও অনেক আঞ্চলিক টুনা মজুত মারাত্মকভাবে কমেছে। গত চার দশকে আটলান্টিক ব্লুফিন টুনা পশ্চিম ও পূর্ব- উভয় আটলান্টিক মহাসাগরের পাশাপাশি ভূমধ্যসাগরে রয়েছে। তারা বিলুপ্ত হয়ে গেছে কৃষ্ণ সাগরে। যদিও ভারত মহাসাগরে ইয়েলোফিন টুনা বেশি ধরা পড়ছে। এ লাল তালিকা প্রমাণ করে, মাছের ক্ষেত্রে টেকসই দৃষ্টিভঙ্গি দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য এনে দেয় জীবন ও জীববৈচিত্র্যের জন্য। আমাদের অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করতে হবে এবং আঞ্চলিক কোটা সংরক্ষণের ওপর জোর দিতে হবে, বলছিলেন ড. ব্রুস বি কোলেট, আইইউসিএন এসএসসি টুনা ও বিল ফিশ বিশেষজ্ঞ গ্রুপের চেয়ার। তিনি আরও বলেন, টুনা মাছ হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিতে পারে, তাই বিশ্বব্যাপী এটি ব্যবস্থাপনার আওতায় আনাই মূল চাবিকাঠি।
প্যাসিফিক ব্লুফিন টুনা, প্রশান্ত মহাসাগরে বিশেষ করে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে যার বিচরণ ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। এটির ৫ শতাংশ কমেছে। লাল তালিকায় হাঙর প্রজাতির ৩৭ শতাংশ বিলুপ্তির পথে বলে উঠে এসেছে। হুমকিতে থাকা হাঙর প্রজাতির অতিরিক্ত শিকার, ৩১ শতাংশের বাস্তুগত সংকট ও ১০ শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বিলুপ্তির পথে।
কমোডো ড্রাগন জলবায়ু পরিবর্তনের ভবিষ্যতের প্রভাবে হুমকির সম্মুখীন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জীবন্ত টিকটিকি, কমোডো ড্রাগন বিপন্নের দিকে। কমোডো ড্রাগন ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপপুঞ্জ ও জাভা দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে পাওয়া যায়। ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রা এবং পরবর্তী সমুদ্রের স্তর, কমোডো ড্রাগনের উপযুক্ত আবাসস্থল আগামী ৪৫ বছরে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com