ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় যুক্তরাজ্য : ব্রিটিশ হাইকমিশনার Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের Logo ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে ঘাটতির আশংকা নেই Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বিএনপি সরকারের উদ্যোগ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া Logo ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘর থেকেই শুরু হোক Logo মনের জটিল জট খোলার মতো ১০টি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা

ঝিনাইগাতী উপজেলার ১নং কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের প্রস্তাবনা বাতিল ও মধ্যবর্তী স্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে রবিবার ঝিনাইগাতী-রাংটিয়া সড়কে উপজেলা পরিষদের সামনে কাংশা ইউনিয়নের সর্বস্তরের বাসিন্দাদের ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ইউনিয়নের বাকাকুড়া, নওকুচি, গান্ধীগাঁও, কাংশা, দুধনই, গজনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গান্ধীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. হাসিন আরমান মাসুদ। মানববন্ধনে ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও আপন শিক্ষা পরিবারের পরিচালক মো. রহমত আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য মো. গোলাপ হোসেন, মো. এনামুল কবির মানিক, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আরেফিন সোহাগ, বাকাকুড়া এলাকার মো. মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, গান্ধীগাঁও এলাকার বাসিন্দা মহিলা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান, মো. লুৎফর রহমান লাজু, মো. কমল মিয়া প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এমন স্থানে নির্মাণ করা উচিৎ, যেখানে ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডের মানুষ সহজে যাতায়াত করতে পারেন। মধ্যবর্তী স্থানে ভবন নির্মাণ করা হলে সরকারি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষের সময়, খরচ ও দুর্ভোগ কমবে। ইউনিয়নের ভৌগোলিক অবস্থান ও জনস্বার্থ বিবেচনায় পরিষদ ভবনের প্রস্তাবনা বাতিল করে কেন্দ্রীয় স্থানে নির্মাণ করা অত্যন্ত যৌক্তিক। জনগণের দীর্ঘদিনের এই দাবি বাস্তবায়নে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা-উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। এর আগে গত ২০ মে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগ শেরপুরের উপপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদনও প্রদান করেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে কাংশা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান বলেন, পরিষদ ভবনটি কেন্দ্রীয় স্থানে নির্মাণের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। তবে মধ্যবর্তী স্থানে পরিষদ ভবন নির্মাণের জন্যে প্রয়োজনীয় জমিসহ আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মধ্যবর্তী স্থানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করলে আমার কোনো আপত্তি নেই। জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন মধ্যবর্তী স্থানে নির্মাণের দাবির বিষয়টি আজকেই জানলাম। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঝিনাইগাতী উপজেলার ১নং কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের প্রস্তাবনা বাতিল ও মধ্যবর্তী স্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৯:০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে রবিবার ঝিনাইগাতী-রাংটিয়া সড়কে উপজেলা পরিষদের সামনে কাংশা ইউনিয়নের সর্বস্তরের বাসিন্দাদের ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ইউনিয়নের বাকাকুড়া, নওকুচি, গান্ধীগাঁও, কাংশা, দুধনই, গজনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গান্ধীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. হাসিন আরমান মাসুদ। মানববন্ধনে ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও আপন শিক্ষা পরিবারের পরিচালক মো. রহমত আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য মো. গোলাপ হোসেন, মো. এনামুল কবির মানিক, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আরেফিন সোহাগ, বাকাকুড়া এলাকার মো. মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, গান্ধীগাঁও এলাকার বাসিন্দা মহিলা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান, মো. লুৎফর রহমান লাজু, মো. কমল মিয়া প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এমন স্থানে নির্মাণ করা উচিৎ, যেখানে ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডের মানুষ সহজে যাতায়াত করতে পারেন। মধ্যবর্তী স্থানে ভবন নির্মাণ করা হলে সরকারি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষের সময়, খরচ ও দুর্ভোগ কমবে। ইউনিয়নের ভৌগোলিক অবস্থান ও জনস্বার্থ বিবেচনায় পরিষদ ভবনের প্রস্তাবনা বাতিল করে কেন্দ্রীয় স্থানে নির্মাণ করা অত্যন্ত যৌক্তিক। জনগণের দীর্ঘদিনের এই দাবি বাস্তবায়নে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা-উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। এর আগে গত ২০ মে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগ শেরপুরের উপপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদনও প্রদান করেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে কাংশা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান বলেন, পরিষদ ভবনটি কেন্দ্রীয় স্থানে নির্মাণের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। তবে মধ্যবর্তী স্থানে পরিষদ ভবন নির্মাণের জন্যে প্রয়োজনীয় জমিসহ আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মধ্যবর্তী স্থানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করলে আমার কোনো আপত্তি নেই। জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন মধ্যবর্তী স্থানে নির্মাণের দাবির বিষয়টি আজকেই জানলাম। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।