ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র ও রপ্তানি প্রবেশদ্বার হতে চায় বাংলাদেশ Logo সিপাহি-জনতার বিপ্লব : সংবাদপত্রের পাতায় সেই দিনটি Logo উপকূলীয় অঞ্চলে চাষাবাদে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এলো উচ্চ ফলনশীল ‘ব্রি ধান- Logo শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিফ প্রসিকিউটরের চিঠি Logo গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সচেষ্ট সরকার, অস্থিরতার সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গ্যাস সরবরাহ চারদিন বন্ধ থাকবে এমন সংবাদ বিভ্রান্তিকর : পেট্রোবাংলা Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo পুলিশের জন্য কেনা হবে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণকারী যানসহ ৫৮৩০ বাহন Logo কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী উপায়ে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী Logo কমনওয়েলথ কাবাডিতে ব্রোঞ্জজয়ী বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা

দিনাজপুরে ১১ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস

দিনাজপুর সেক্টরের অধীনস্থ জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি), ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এবং দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত অভিযানে জব্দকৃত ১০ কোটি ৮২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বিজিবির দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ মাঠে ‘মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম। এসময় বিজিবির রংপুর রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম নাছের, পিএসসি, জি+, বিজিবির দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, বিজিবিএম, পিবিজিএম, পিএসসি, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী, পিবিজিএমএস, ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান, পিএসসি এবং দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) কর্তৃক ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ হতে ৩১ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত, ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ হতে ৩১ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত এবং দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) কর্তৃক ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ হতে ৩১ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। ধ্বংসকৃত উল্লেখযোগ্য মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ১৩,১৯০ বোতল ফেন্সিডিল, ৯৭ বোতল ফেন্সিগ্রিল, ৩৯৬ বোতল ফেন্সিগ্রিপ, ৪,৫১১ বোতল ফেয়ারডিল, ১৪৫ বোতল এসকেডিল, ৭৭০ বোতল এমকেডিল, ৮,৯৬২ বোতল বিভিন্ন প্রকার বিদেশি মদ, ৫১৬.৭৫ লিটার দেশি মদ, ৬৭২ প্যাকেট বিদেশি মদ জাতীয় জুস, ২০,৪১৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৬৭,৪৬৬ পিস কুপিজেসিক ইনজেকশন, ২৯,৮৩০ পিস বিভিন্ন নেশাজাতীয় ইনজেকশন, ২,৪৮,০৫৯ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ১৪০ গ্রাম কোকেন, ১০ গ্রাম হেরোইন, ৪৫,৮৬৫ পিস ট্যাপেন্টাভল ট্যাবলেট, ৭,০০০ পিস বুফেরাফিন ট্যাবলেট, ৪,৫৭৫ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ২৪ বোতল আরসিক্যাপ, ০২ বোতল ইউনরেক্স সিরাপ, ৩.৩৭৭ কেজি গাঁজা, ১,০৫,৭৪৬ বোতল বিভিন্ন প্রকার যৌন উত্তেজক সিরাপ, ১,২৮৬ বোতল হোমিওপ্যাথিক সিরাপ, ৫,৩৪,১১৭ পিস মদ তৈরির ট্যাবলেট, ৭৭৫ প্যাকেট পাতার বিড়ি এবং ৭,২০০ পিস জর্দা। ধ্বংসকৃত এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ১০,৮২,৯০,৯২০/- (দশ কোটি বিরাশি লক্ষ নব্বই হাজার নয়শত বিশ) টাকা। প্রধান অতিথির বক্তেব্যে রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, মাদকদ্রব্য একটি নীরব ঘাতক। এটি মানুষের মেধা ও নৈতিকতাকে ধ্বংস করে, বিশেষ করে তরুণ সমাজ যখন মাদকের করাল ছোবলে আক্রান্ত হয়, তখন একটি জাতির সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতও ঝুঁকির মুখে পড়ে। বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাঁদের সাহস, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের ফলেই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। আজকের এই মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ কার্যক্রম সেই সাফল্যেরই বাস্তব প্রতিফলন। রংপুর রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম নাছের বলেন, মাদক শুধু একটি অবৈধ দ্রব্য নয়, এটি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। আমাদের সম্ভাবনাময় তরুণ সমাজের স্বপ্ন, মেধা ও ভবিষ্যতকে ধ্বংস করে দিচ্ছে এই মাদক। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি শুধু নিজের জীবন নয়, তার পরিবার ও সমাজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সীমান্ত ব্যবহার করে অসাধু চক্র বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশে প্রবেশ করানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের স্বার্থে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে এবং একটি সুস্থ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বিজিবি দেশের সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সর্বদা সতর্ক, সজাগ ও দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিনরাত নিরলসভাবে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ দমনে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নসমূহের সদস্যদের আন্তরিকতা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র ও রপ্তানি প্রবেশদ্বার হতে চায় বাংলাদেশ

দিনাজপুরে ১১ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস

আপডেট সময় ০৯:০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

দিনাজপুর সেক্টরের অধীনস্থ জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি), ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এবং দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত অভিযানে জব্দকৃত ১০ কোটি ৮২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বিজিবির দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ মাঠে ‘মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম। এসময় বিজিবির রংপুর রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম নাছের, পিএসসি, জি+, বিজিবির দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, বিজিবিএম, পিবিজিএম, পিএসসি, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী, পিবিজিএমএস, ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান, পিএসসি এবং দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) কর্তৃক ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ হতে ৩১ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত, ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ হতে ৩১ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত এবং দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) কর্তৃক ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ হতে ৩১ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। ধ্বংসকৃত উল্লেখযোগ্য মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ১৩,১৯০ বোতল ফেন্সিডিল, ৯৭ বোতল ফেন্সিগ্রিল, ৩৯৬ বোতল ফেন্সিগ্রিপ, ৪,৫১১ বোতল ফেয়ারডিল, ১৪৫ বোতল এসকেডিল, ৭৭০ বোতল এমকেডিল, ৮,৯৬২ বোতল বিভিন্ন প্রকার বিদেশি মদ, ৫১৬.৭৫ লিটার দেশি মদ, ৬৭২ প্যাকেট বিদেশি মদ জাতীয় জুস, ২০,৪১৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৬৭,৪৬৬ পিস কুপিজেসিক ইনজেকশন, ২৯,৮৩০ পিস বিভিন্ন নেশাজাতীয় ইনজেকশন, ২,৪৮,০৫৯ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ১৪০ গ্রাম কোকেন, ১০ গ্রাম হেরোইন, ৪৫,৮৬৫ পিস ট্যাপেন্টাভল ট্যাবলেট, ৭,০০০ পিস বুফেরাফিন ট্যাবলেট, ৪,৫৭৫ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ২৪ বোতল আরসিক্যাপ, ০২ বোতল ইউনরেক্স সিরাপ, ৩.৩৭৭ কেজি গাঁজা, ১,০৫,৭৪৬ বোতল বিভিন্ন প্রকার যৌন উত্তেজক সিরাপ, ১,২৮৬ বোতল হোমিওপ্যাথিক সিরাপ, ৫,৩৪,১১৭ পিস মদ তৈরির ট্যাবলেট, ৭৭৫ প্যাকেট পাতার বিড়ি এবং ৭,২০০ পিস জর্দা। ধ্বংসকৃত এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ১০,৮২,৯০,৯২০/- (দশ কোটি বিরাশি লক্ষ নব্বই হাজার নয়শত বিশ) টাকা। প্রধান অতিথির বক্তেব্যে রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, মাদকদ্রব্য একটি নীরব ঘাতক। এটি মানুষের মেধা ও নৈতিকতাকে ধ্বংস করে, বিশেষ করে তরুণ সমাজ যখন মাদকের করাল ছোবলে আক্রান্ত হয়, তখন একটি জাতির সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতও ঝুঁকির মুখে পড়ে। বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাঁদের সাহস, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের ফলেই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। আজকের এই মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ কার্যক্রম সেই সাফল্যেরই বাস্তব প্রতিফলন। রংপুর রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম নাছের বলেন, মাদক শুধু একটি অবৈধ দ্রব্য নয়, এটি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। আমাদের সম্ভাবনাময় তরুণ সমাজের স্বপ্ন, মেধা ও ভবিষ্যতকে ধ্বংস করে দিচ্ছে এই মাদক। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি শুধু নিজের জীবন নয়, তার পরিবার ও সমাজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সীমান্ত ব্যবহার করে অসাধু চক্র বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশে প্রবেশ করানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের স্বার্থে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে এবং একটি সুস্থ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বিজিবি দেশের সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সর্বদা সতর্ক, সজাগ ও দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিনরাত নিরলসভাবে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ দমনে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নসমূহের সদস্যদের আন্তরিকতা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।