আইনের শাসন, মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ। বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল বগুড়া বার শাখা কর্তৃক আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল বগুড়া বার শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কাজী নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অন্যান্যের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মো: ইউসুফ আলী, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট ড: গোলাম রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম খন্দকার, বগুড়া বারের নির্বাচিত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন, সহসভাপতি সাখাওয়াত হেসেন মল্লিক, সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট রিয়াজ উদ্দীন, সাবেক সেক্রেটারি আতাউর রহমান খান মুক্তা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বারের বর্তমান সেক্রেটারি আব্দুল বাছেদ, সাবেক সেক্রেটারি এ কে এম সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমানে আমরা যে সমাজে বসবাস করছি তা আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। অন্যায়, অবিচার, সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি ও অশ্লীলতা গোটা জাতিকে গ্রাস করেছে। মানুষের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে আমাদের কাজ হলো দেশে ন্যায় বিচার, আইনের শাসন ও মানবধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা। স্বাধীনতার ৫০ বছরেও দেশে পরিপূর্ণভাবে ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি দেশে প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে। অপহরণ, ধর্ষণ, গুম, খুন, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। যা জাতি হিসেবে সত্যিই আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল দেশে ন্যায়, ইনসাফ ও নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহ প্রদত্ত বিধান অনুসরণের মাধ্যমেই মানবজাতির কল্যাণ নিহিত রয়েছে। আল্লাহর বিধানের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা রয়েছে মহাগ্রন্থ আল কোরআনে। কোরআন মানবজাতির জন্য পথপ্রদর্শক। কোরআন থেকে হেদায়েত পেতে হলে তাকওয়ার গুণ অর্জন করতে হবে। এ গুণ অর্জনের জন্যই রমাদানের রোজা ফরজ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তাকওয়ার ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টির মাধ্যমে আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। কোরআনের শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে আমাদেরকে আইনের শাসন, মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি