শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

দুই প্রেমিকাকে একসঙ্গে বিয়ে!

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০২২

দুই প্রেমিকাকে পাশাপাশি বসিয়ে বিয়ে করেছেন রোহিনী চন্দ্র বর্মণ (২৫) নামে এক যুবক। পরে একসঙ্গে দুই বউকে ঘরে তুলেছেন তিনি। গত বুধবার (২০ এপ্রিল) রাতে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের লক্ষীদ্বার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। রোহিনী চন্দ্র বর্মণ ওই এলাকার যামিনী চন্দ্র বর্মণের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, বলরামপুর ইউনিয়নের গাঠিয়াপাড়া এলাকার গিরিশ চন্দ্রের মেয়ে ইতি রানীর (২০) সঙ্গে রোহিনীর দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এক পর্যায়ে তারা মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন দুজনই।
বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যে নতুন করে লক্ষীদ্বার গ্রামের টোনো কিসর রায়ের মেয়ে মমতা রানীর (১৮) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে রোহিনীর। প্রেমের সূত্র ধরে গত ১২ এপ্রিল মমতার সঙ্গে দেখা করতে যান রোহিনী। দুজনকে একত্রে দেখে আটকে রেখে বিয়ে দেন মমতার পরিবারের লোকজন।
এদিকে, রোহিনীর বিয়ের খবর শুনে তার বাড়িতে অনশন শুরু করেন ইতি রানী। পরে বুধবার রাতে পুনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে দুই বিয়ে একসঙ্গে সম্পন্ন হয়।
এ বিষয়ে রোহিনী বর্মণের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে তিনি মোবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। রোহিনীর বাবা যামিনী চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘দুজনকে একসঙ্গে ঘরে তুলতে আমাদের আপত্তি ছিল না। তবে আগের বিয়ের বিষয়ে যেহেতু জানা ছিল না, তাই নতুন করে আবার বিয়ের আয়োজন করেছি।’
ইতি রানীর বাবা গিরিশ চন্দ্র বলেন, ‘আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। রোহিনীর বাড়িতে আনুষ্ঠানিক বিয়েতে আমরা তিন পরিবারের লোকজনই ছিলাম।’ বলরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। তবে এ ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।’




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com