ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আমের খোসায় তৈরি হচ্ছে চা Logo শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৯৩০তম সভা Logo স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ Logo স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo এলডিসি উত্তরণ টেকসই করতে পাঁচ পক্ষকে নিয়ে সংস্কার বাস্তবায়ন করবে সরকার Logo সিলেট অঞ্চলের শাখাসমূহ নিয়ে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের স্ট্র্যাটেজিক কনক্লেভ অনুষ্ঠিত Logo ঢাবি অক্সফোর্ড হলে রাবিকে ক্যামব্রিজ করতে চাই: রিজভী Logo তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে Logo গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে : বিরোধীদলীয় নেতা Logo অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে দক্ষিণ কোরিয়ায় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল

মতলব উত্তরে কলাকান্দা ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, মাকে হত্যার দায়ে ছেলে গ্রেফতার

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের একটি কলাবাগান থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলিত ও বিকৃত মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ জনি(২৬)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পারিবারিক ক্ষোভের জেরে নিজের মা মজিদা বেগমকে হত্যা করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে সে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫/০৬/২০২৬ ইং তারিখে ৯৯৯-এর সংবাদের ভিত্তিতে কলাকান্দা ইউনিয়নের একটি কলাবাগান থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলিত ও বিকৃত লাশ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি এতটাই বিকৃত ছিল যে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মামলাটি সম্পূর্ণ ক্ল্যুলেস হওয়ায় চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হুসনাইন সানীবের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। বিশেষ টিমে ছিলেন মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অফিসার ইনচার্জ, মতলব উত্তর থানা এসআই সাদেকুর রহমান,এসআই মিজানুর রহমান, এসআই রেজাউল করিম এবং এএসআই মোঃ রবিউল ইসলাম। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও ম্যানুয়াল সোর্সিংয়ের মাধ্যমে মোঃ জনির ওপর সন্দেহ হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকা-ের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। জনি জানায়, তার মা মজিদা বেগম তিনটি বিয়ে করেছিলেন। ছোটবেলা থেকে অবহেলা ও পারিবারিক অশান্তির কারণে মায়ের প্রতি তার তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। সেই ক্ষোভ থেকেই গত ১৭/০৬/২০২৬ ইং তারিখে সে তার মাকে ছেংগারচর বাজার থেকে কলাকান্দার ওই কলাবাগানে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং লাশ ফেলে রেখে যায়। পরে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন একটি ডোবায় ফেলে দেয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামি জনিকে নিয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত আলামত ও নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হুসনাইন সানীব বলেন, এটি একটি সম্পূর্ণ ক্ল্যুলেস মামলা ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে আমরা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে মতলব উত্তর থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করবে।

ট্যাগস :

আমের খোসায় তৈরি হচ্ছে চা

মতলব উত্তরে কলাকান্দা ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, মাকে হত্যার দায়ে ছেলে গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের একটি কলাবাগান থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলিত ও বিকৃত মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ জনি(২৬)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পারিবারিক ক্ষোভের জেরে নিজের মা মজিদা বেগমকে হত্যা করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে সে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫/০৬/২০২৬ ইং তারিখে ৯৯৯-এর সংবাদের ভিত্তিতে কলাকান্দা ইউনিয়নের একটি কলাবাগান থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলিত ও বিকৃত লাশ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি এতটাই বিকৃত ছিল যে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মামলাটি সম্পূর্ণ ক্ল্যুলেস হওয়ায় চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হুসনাইন সানীবের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। বিশেষ টিমে ছিলেন মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অফিসার ইনচার্জ, মতলব উত্তর থানা এসআই সাদেকুর রহমান,এসআই মিজানুর রহমান, এসআই রেজাউল করিম এবং এএসআই মোঃ রবিউল ইসলাম। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও ম্যানুয়াল সোর্সিংয়ের মাধ্যমে মোঃ জনির ওপর সন্দেহ হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকা-ের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। জনি জানায়, তার মা মজিদা বেগম তিনটি বিয়ে করেছিলেন। ছোটবেলা থেকে অবহেলা ও পারিবারিক অশান্তির কারণে মায়ের প্রতি তার তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। সেই ক্ষোভ থেকেই গত ১৭/০৬/২০২৬ ইং তারিখে সে তার মাকে ছেংগারচর বাজার থেকে কলাকান্দার ওই কলাবাগানে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং লাশ ফেলে রেখে যায়। পরে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন একটি ডোবায় ফেলে দেয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামি জনিকে নিয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত আলামত ও নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হুসনাইন সানীব বলেন, এটি একটি সম্পূর্ণ ক্ল্যুলেস মামলা ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে আমরা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে মতলব উত্তর থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করবে।