ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কাঁধে সন্তান, মাথায় শাকের বোঝা, সংগ্রামী মা মমতার জীবনযুদ্ধ Logo ধনবাড়ী সরকারি কলেজে আন্তঃহাউস ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন?

সংস্কৃতি মন্ত্রী ও ইতালির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। ছবি : পিআইডি

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং প্রতœতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে ১৯৯১ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক চুক্তির কথা স্মরণ করে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, চুক্তিটি আমাদের দীর্ঘস্থায়ী সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্বের মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছে। সংস্কৃতি হলো বিভিন্ন দেশ ও জাতির মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।
দুই দেশের শিল্পী, সংগীতজ্ঞ এবং কারুশিল্পীদের মধ্যে নিবিড় বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বৈঠকে পুরাকীর্তি সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং আধুনিক জাদুঘর ব্যবস্থাপনায় ইতালির কারিগরি সহযোগিতার প্রস্তাবকে মন্ত্রী সাধুবাদ জানান।
ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন এবং ভাষা প্রশিক্ষণে ইতালির আগ্রহের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়।
এছাড়াও ভেনিস বিয়েনাল (২০২২, ২০২৪), নেপালস সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্মেলন (২০২৫) এবং এক্সপো মিলানে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের স্মৃতিচারণ করে সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে রোমে স্বাক্ষরিত ‘সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি’কে বাস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে সে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ইতালিতে একটি বৃহৎ বাংলাদেশি কমিউনিটি বসবাস করায় দুই দেশের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবেই সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক পটভূমি যাই হোক না কেন, সংস্কৃতি অভিন্ন থাকে।
তিনি ইউনেস্কো এবং ঐতিহ্যগত সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরো বিস্তৃত করার পাশাপাশি যৌথ শিল্প প্রদর্শনীর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে দুই দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও ফেলোশিপের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও ঐকমত্য পোষণ করা হয়।
সৌজন্য সাক্ষাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ইতালি দূতাবাসের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁধে সন্তান, মাথায় শাকের বোঝা, সংগ্রামী মা মমতার জীবনযুদ্ধ

সংস্কৃতি মন্ত্রী ও ইতালির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৪:৪৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং প্রতœতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে ১৯৯১ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক চুক্তির কথা স্মরণ করে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, চুক্তিটি আমাদের দীর্ঘস্থায়ী সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্বের মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছে। সংস্কৃতি হলো বিভিন্ন দেশ ও জাতির মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।
দুই দেশের শিল্পী, সংগীতজ্ঞ এবং কারুশিল্পীদের মধ্যে নিবিড় বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বৈঠকে পুরাকীর্তি সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং আধুনিক জাদুঘর ব্যবস্থাপনায় ইতালির কারিগরি সহযোগিতার প্রস্তাবকে মন্ত্রী সাধুবাদ জানান।
ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন এবং ভাষা প্রশিক্ষণে ইতালির আগ্রহের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়।
এছাড়াও ভেনিস বিয়েনাল (২০২২, ২০২৪), নেপালস সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্মেলন (২০২৫) এবং এক্সপো মিলানে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের স্মৃতিচারণ করে সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে রোমে স্বাক্ষরিত ‘সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি’কে বাস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে সে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ইতালিতে একটি বৃহৎ বাংলাদেশি কমিউনিটি বসবাস করায় দুই দেশের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবেই সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক পটভূমি যাই হোক না কেন, সংস্কৃতি অভিন্ন থাকে।
তিনি ইউনেস্কো এবং ঐতিহ্যগত সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরো বিস্তৃত করার পাশাপাশি যৌথ শিল্প প্রদর্শনীর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে দুই দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও ফেলোশিপের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও ঐকমত্য পোষণ করা হয়।
সৌজন্য সাক্ষাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ইতালি দূতাবাসের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।