গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে মো. জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বে এ রুল দেন।
গত বছরের ২৫ নভেম্বর জাহাঙ্গীরকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাহাঙ্গীর আলম চলতি মাসে রিট করেন। গতকাল মঙ্গলবার আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এমএমজি সারোয়ার পায়েল। আদালত বলেছেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে। রুল দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়সচিব, আইনসচিব, গাজীপুরের জেলা প্রশাসকসহ বিবাদীদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে গোপনে ধারণ করা জাহাঙ্গীরের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। কথোপকথনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে দলীয় নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে জাহাঙ্গীরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। তিনি গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।