ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ভারতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’ বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের Logo ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার Logo সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৯৬৩ শিশু নিহত Logo দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী Logo নরসিংদীতে জনপ্রিয় মালয়েশিয়ার রুটি চানাই Logo সকল ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo দক্ষিণ আমেরিকায় রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ, তিন মাসে আয় ১৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার Logo ম্যাকগ্রার রেকর্ড ভেঙে স্টার্কের ইতিহাস, নিলেন ৪৫০ উইকেট Logo সিসি ক্যামেরা নাকি আইপি ক্যামেরা, নিরাপত্তায় কোনটি সেরা?

মাহেরীন চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জলঢাকায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খালাতো ভাই মরহুম মোহিতুর রহমান চৌধুরীর বড় কন্যা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চাচাতো বোন মরহুমা মাহেরীন চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বগুলাগাড়ী চৌধুরীপাড়ায় তাঁর পৈতৃক বাড়িতে মাহেরীন চৌধুরীর ভাইবোন, স্বামী ও সন্তানদের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাহেরীন চৌধুরী ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক ও মরহুমার স্বামী মনসুর হেলাল। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম এবং নীলফামারীর জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুব্বাশিরা আমাতুল্লাহ, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি, নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ সৈয়দ আলী, জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সভাপতির বক্তব্যে মনসুর হেলাল বলেন, মাহেরীন চৌধুরী বগুলাগাড়ী ও আশপাশের এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির স্বপ্ন দেখতেন। জীবদ্দশায় তিনি সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছিলেন। তবে অকাল প্রয়াণের কারণে তাঁর পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ হয়নি। সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম বলেন, মাহেরীন চৌধুরীর আত্মত্যাগ মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান বলেন, মাহেরীন চৌধুরীর মানবিকতা, সাহস ও আত্মত্যাগ সমাজের জন্য অনুকরণীয়। তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, মাহেরীন চৌধুরী জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অন্যের সন্তানদের রক্ষায় কাজ করেছেন, যা একজন শিক্ষকের দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ সৈয়দ আলী বলেন, মাহেরীন চৌধুরীর সাহস, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। স্মরণসভা শেষে মরহুমা মাহেরীন চৌধুরীর কবর জিয়ারত করা হয়। পরে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’ বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের

মাহেরীন চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জলঢাকায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

আপডেট সময় ০২:৩৬:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খালাতো ভাই মরহুম মোহিতুর রহমান চৌধুরীর বড় কন্যা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চাচাতো বোন মরহুমা মাহেরীন চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বগুলাগাড়ী চৌধুরীপাড়ায় তাঁর পৈতৃক বাড়িতে মাহেরীন চৌধুরীর ভাইবোন, স্বামী ও সন্তানদের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাহেরীন চৌধুরী ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক ও মরহুমার স্বামী মনসুর হেলাল। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম এবং নীলফামারীর জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুব্বাশিরা আমাতুল্লাহ, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি, নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ সৈয়দ আলী, জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সভাপতির বক্তব্যে মনসুর হেলাল বলেন, মাহেরীন চৌধুরী বগুলাগাড়ী ও আশপাশের এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির স্বপ্ন দেখতেন। জীবদ্দশায় তিনি সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছিলেন। তবে অকাল প্রয়াণের কারণে তাঁর পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ হয়নি। সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম বলেন, মাহেরীন চৌধুরীর আত্মত্যাগ মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান বলেন, মাহেরীন চৌধুরীর মানবিকতা, সাহস ও আত্মত্যাগ সমাজের জন্য অনুকরণীয়। তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, মাহেরীন চৌধুরী জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অন্যের সন্তানদের রক্ষায় কাজ করেছেন, যা একজন শিক্ষকের দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ সৈয়দ আলী বলেন, মাহেরীন চৌধুরীর সাহস, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। স্মরণসভা শেষে মরহুমা মাহেরীন চৌধুরীর কবর জিয়ারত করা হয়। পরে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।