গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শিশুদেরকে জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষার দ্যূতি ছড়াচ্ছে দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হামিউচ্ছুন্নাহ্ মাদরাসাটি। এখানে বয়স্কদের জন্যও রয়েছে দ্বীনি শিক্ষার সু-ব্যবস্থা। ২০১৩ সালে পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের মহদীপুর গ্রামে ৭ শতক জমির ওপর মাদরাসাটি স্থাপিত হয়। বর্তমানে ৬৭ শতাংশ জমিতে ছড়িয়েছে মাদরাসার কার্যক্রম। এরমধ্যে মাত্র ৭ শতক জমি দানকৃত। মাদরাসায় মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ শতাধিক। মাদরাসাটির প্রয়োজন আরো ৬৬ শতক জমিসহ ছাত্রবাস, মসজিদ, শিক্ষাভবন নির্মাণ বিশেষ প্রয়োজন। সেই সাথে রয়েছে চলাচলের রাস্তারসঙ্কট। মাদরাসার মুহতামিম মাও: শাহ আলম ফয়জী সাহেব জানান, মাদরাসার কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬৬ শতক জমি ক্রয় সহ মসজিদ, মাদরাসা, শিক্ষা ভবন নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে চারতলা একটি ভবনের ভিত্তি স্থাপিত হলেও অর্থঅভাবে কাজ বন্ধ আছে। তিনি বলেন, বর্তমানে মাদরাসাটিতে নুরানি, মক্তব, হিফয, কেরাত, কিতাব, কম্পিউটার ও পাঠাগারসহ ৭টি বিভাগ খোলা আছে। ১২ জন শিক্ষকের নিবিড় প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজী, অংক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়া শিশুদের হাতের লেখা সুন্দরের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে।ভবিষ্যতে অত্র মাদরাসা থেকে দলে দলে হাফিজ, আলেম, মুফতি মুহাদ্দিস, মুফাচ্ছির, বের হবে, এমন লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। উত্তরবঙ্গের মধ্যে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান) একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত করা। তিনি আরো বলেন, মাদরাসার অন্যতম বড় সমস্য চলাচলের রাস্তা। যে রাস্তা আছে, তা পর্যাপ্ত নয়। স্থানীয় তৈয়ব আলী হাজী তিন শতক, মরহুম আব্দুল কুদ্দুস গাছু এক শতক, মরহুম অমর আলি তিন শতক, ডা: আজিজার রহমান এক শতক, মুনসুর মিয়া এক শতাংশ ও মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম এক শতক জমি ওয়াকফ হিসাবে মাদরাসায় দান করেন। এছাড়া রবিউল ইসলামের কাছ থেকে ৩৯ হাজার টাকার বিনিময়ে এক শতক জমি ক্রয় করা হয়। এছাড়াও জনৈক সলিমুদ্দিন শেখ মাদরাসার জন্য ৭ শতাংশ পুকুর দান করেন। এই ১১ শতক জমি রাস্তা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু ভবিষ্যতে চলাচলের সুবিধার্থে আরো প্রশস্ত রাস্তা প্রয়োজন।