বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যতম শিল্প গ্রুপ ‘ইদ্রিস গ্রুপ অব কোম্পানীজ লি. এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়ার একমাত্র পুত্র শেরপুরের তরুন শিল্পপতি গুলজার মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া জিহানের ৩২ তম জন্মদিন শুক্রবার (৩ মার্চ)। এবছর বত্রিশ বছরে পা রাখলেন তরুন প্রজন্মের এই আইডল। জন্মদিনটি স্মরণীয় করে রাখতে ভিন্ন বিশেষ আয়োজন হাতে নিয়েছিল ইদ্রিস গ্রুপ অব কোম্পানী। এদিন শেরপুর জেলা শহরের বিভিন্ন মসজিদের মুসল্লি ও এতিমখানার এতিম শিশুদের মাঝে খাবার তুলে দিয়ে নিজের জন্মদিন উদযাপন করেছেন এই তরুন শিল্পপতি। এছাড়াও তার মঙ্গল কামনায় জেলা শহরের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোআ ও মোনাজাত করা হয়। ১৯৯১ সালের ৩ মার্চ এক উত্তাল সময়ে পৃথিবীর আলো দেখেন গুলজার মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া জিহান। সেই ছোট্ট শিশুটিই আজকে ময়মনসিংহ বিভাগের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠীর অন্যতম কর্ণধার। মাটি ও মানুষের কল্যাণ সাধনে নিয়োজিত ইদ্রিস গ্রুপকে সম্ভাবনার দুর্গম গন্তব্যে পৌঁছে দিতে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা উজ্জীবিত করে নতুন প্রজন্মকে। বয়স কম হলেও দূরদৃষ্টি ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন ইদ্রিস গ্রুপকে। তারুণ্যশক্তি ও মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে নিজের ক্যারিশমাটিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে শুরু করেন। তাঁর দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণে ইদ্রিস গ্রুপ আজ বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যতম বৃহৎ শিল্প পরিবারে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছেন নতুন নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে। তাতে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন কর্মসংস্থান। উপকৃত হচ্ছেন হাজার হাজার দরিদ্র মানুষ। তার এই খ্যাতি ছড়িয়ে গেছে ময়মনসিংহের পরিসীমা ছাড়িয়ে দূর-দিগন্তে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনের লক্ষ্যে নিজেকে যেন উৎসর্গ করে দিয়েছেন এই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শুধু ব্যবসার হিসাব-নিকাশের গ-িতে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি গুলজার মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া জিহান। দানশীল মানুষটি মানুষের সেবায় সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু অর্থ দিয়েই ক্ষান্ত নন, নিজের মূল্যবান সময় এবং সৃজনশীলতা বিনিয়োগ করছেন সমাজের টেকসই পরিবর্তনে। শেরপুরের এই কৃতি সন্তান বিশ্বাস করেন, তরুণরা যেকোনো জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ। তাই সামাজিক পরিচয়ের বিবেচনা না করে সর্বস্তরের তরুণদের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে সমান সুযোগ প্রদানের লক্ষ্য কাজ করে যাবেন তিনি। তরুণ এই শিল্পপতির জন্মদিন উপলক্ষে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শেরপুরের সুশীল ও নাগরিক সমাজ, ইদ্রিস গ্রুপের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ।