জনপ্রতিনিধিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনপ্রতিনিধিদের সোচ্চার হওয়ার আহবান পুনর্ব্যক্ত করে তৃণমূলের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে এবং তা ধরে রেখে তাদেরকে এগিয়ে যাবার আহবান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা তৃণমূলের মানুষ জনগণের ভোটে নির্বাচিত, জনগণের সেবক। জনগণের কল্যাণে কাজ করা আপনার আমার সকলেরই দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে মানুষের সেবা করে এবং মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে আপনারা এগিয়ে যাবেন।”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁর সরকারী বাসভবন গণভবনে প্রথমবারের মত আয়োজিত ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস ২০২৩’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
গণভবনে সারাদেশের স্থানীয় সরকারের ৫টি স্তরের জনপ্রতিনিধিদের বিশাল মিলনমেলায় তিনি বলেন, “মানুষ একবার যখন আপনাদের ভোট দিয়েছে তারা আবারও যেন আপনাকে ভোট দিতে পারে আপনাদের জনগণের সেই আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে।”
তিনি বলেন, উঠেয়েছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত চার টাকার মালও বিক্রি করতে পারি নাই। তার আগেই সব শেষ। কোনো কিছুই বের করতে পারিনি। কয়েক লাখ ক্যাশ টাকাও পুড়েছে। গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টা ৪৩ মিনিটের দিকে কৃষি মার্কেটে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার ২৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে ২১৭টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। সংস্থাটি জানায় মার্কেটটিতে ৩১৭টি দোকান ছিল। এদিকে আগুনে সব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ মার্কেটে সবজি দোকানের পাশাপাশি জুতার দোকান, সোনার দোকানসহ অনেক ধরনের দোকান রয়েছে। ব্যবসায়ী ফজলুল হক বলেন, দীর্ঘ দুই যুগ ধরে এখানে ব্যবসা করছি। এভাবে দোকান পুড়ে গেলো, কবে ঠিক হবে, কীভাবে চলবে আবার কবে এখানে বসতে পারবো আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের শত কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখানে অনেক সোনার দোকান আছে। কাপড়ের দোকান। আগুনের সূত্রপাত প্রসঙ্গে বলেন, আমি রাত ৩টায় জেনেছি আগুন লাগার খবর। এসে দেখি একটা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আর ৩টা লোক। দুজন পাইপ টানছে, একজন দৌড়াদৌড়ি করছে। তারপর আরেকটা গাড়ি এসেছে। আমরা বারবার বলেছি মাঝ মার্কেটে পানি দেন, কিন্তু তারা আমাদের কথা শুনেননি। কেন যে তারা এরকম করলো জানি না। তারা যদি ঢুকতো, আমাদের মার্কেটটায় হিজিবিজি গলি না। পরিকল্পিত মার্কেট।
এদিকে অগ্নিকা-ের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, কৃষি মার্কেটে কোনো ফায়ার সেফটি ছিল না। ফুটপাত ও সড়কে দোকান থাকায় এবং মানুষের ভিড়ের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়েছে।