আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রগুলোর ভোটার উপস্থিতি শূন্যের কোটায় থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। তারা বলেছেন, ‘মানুষ সুযোগ চেয়েছে ভোট চোরের গলা টিপে ধরার। এবার সুযোগ কাজে লাগাতে জনগণ ভোট কেন্দ্রে যাবে না। সরকারের পতন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জনগণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।’
গতকাল রোববার দুপুরে সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন, বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে প্রেসক্লাব, পল্টন ও বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগ ও পদযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারা এসব কথা বলেন।
১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য আছে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ টিম ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে এবং ভোটারদের অর্থের লোভ দেখানো হচ্ছে। এতেই প্রমাণিত হয় যে সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। অবিলম্বে নির্বাচন বাতিল ও পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন।’
তারা বলেন, ‘তারা এখন নিজেদের দলীয় প্রার্থীর ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। তাই তারা বিভিন্ন দলের বহিষ্কৃত অযোগ্য নেতাদের দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাচ্ছে। তবে এই নির্বাচন দেশে এবং বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না। সরকার নির্বাচন বাতিল না করলে তারাই মহা সঙ্কটে।’
১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, ‘ভিনদেশী শক্তির ইশারায় বাংলাদেশের আকাশ ও মাটি এখন অনিরাপদ। দেশী-বিদেশী অপশক্তিকে রুখতে হলে আগামী ৭ তারিখ দেশবাসীকে ভোট প্রদানে বিরত থাকতে হবে এবং ভোট কেন্দ্রগুলো ভোটার উপস্থিতি শূন্যের কোটায় আনতে হবে। দেশে অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্বের কারণে অবৈধ সরকারের নির্বাচনী বাজেটে বড় ধাক্কা লেগেছে।’