শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

সেই নেপালের মাঠেই শিরোপা জয়

স্পোর্টস ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪

মহিলা সাফের বয়সভিত্তিক আসর মানেই ফেবারিট বাংলাদেশ। কখনো চ্যাম্পিয়ন, কখনো বা রানার্সআপ। তবে বাংলাদেশের মহিলা ফুটবলের প্রথম যে দু’টি ট্রফি জয় তা নেপালের মাঠেই। আজ লাল-সবুজ মহিলা ফুটবল এশিয়ার অন্যতম সেরা। এই যাত্রা পথে তাদের প্রথম ট্রফি জয় নেপালের মাঠেই। ২০১৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৪ এএফসি রিজিওনাল ফুটবলের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের শিরোপা অর্জন। সেই শুরুর পর আর পেছনে ফেরা নয়। একে একে সাফের সব বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টেই শিরোপার স্বাদ। বাকি ছিল সিনিয়রদের মহিলা সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। সেটাও এই নেপালের মাঠে ২০২২ সাল। নেপালকে ফাইনালে ৩-১ গোলে হারিয়ে সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণ রানীদের উৎসব। মহিলা সাফে বাংলাদেশ মোট চারবার নেপালের মাঠে খেলেছে। এতে ব্যতিক্রম শুধু ২০১৯ সালে। ওই সময় সিনিয়র মহিলা সাফের সেমিতে ভারতের কাছে ছিটকে পড়া। রোবাবার ওই ভারতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৬ সাফে অর্পিতা, প্রীতি, ইয়ারজানদের আবার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট অর্জন করে। পার্থক্য ছিল শুধু ভেন্যু। ২০২২ সালে কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে শিরোপা নিয়ে মাতামাতি হওয়ার পর কাল ললিতপুরের আনফা অ্যাকাডেমির চিয়াসালে একই দৃশ্য। ফাইনালের ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ এ শেষ হওয়ার টাইব্রেকারে ৩-২ গোলের জয় সাইফুল বারী টিটুর দলের।
নেপালের মাঠে থেকে বাংলাদেশের ফুটবলে এটি প ম শিরোপা। ১৯৮৪ সালের সাফ গেমসে নেপালের কাছে ফাইনালে হার। ওই বদলা ১৯৯৯ সালের সাফ গেমসে। নেপালকেই ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া আলফাজ আহমেদ-জুয়েল রানাদের। কয়েকবার হাতাশার অবশেষে ইরাকি কোচ সামির সাকিরের কোচিংয়ে প্রথম সাফ গেমসের ফুটবলে স্বর্ণ জয়। এরপর ২০১৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৪ দলের গোলাম রাব্বানী ছোটনের দলের উল্লাস। মাঝে ২০১৮ সালে পুরুষদের অনূর্ধ্ব-১৫ সাফে পাকিস্তানকে টাইব্রেকারে হারিয়ে পারভেজ বাবুর দলের ট্রফি জয়। ২০২২ সালে গোলরক্ষক রুপনা চাকমার সাহসী ভূমিকায় সিনিয়র সাফে প্রথম শ্রেষ্ঠত্ব। এবারও ওই ধারা অব্যাহত রাখলেন ইয়ারজান, অর্পিতারা। এতে প্রতিটি বয়সভিত্তিক মহিলা সাফের প্রথম শিরোপাই বাংলাদেশের।
২০১৫ সালের ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা সাফে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের প্রথম অনূর্ধ্ব-১৮ সাফেও শিরোপা বাংলাদেশের। ভুটানের মাঠে নেপালের বিপক্ষে ১-০ তে ফাইনাল জয়। ২০২১ সালে প্রথম অনূর্ধ্ব-১৯ সাফের ফাইনালে ঢাকার কমলাপুরে ভারতের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় আনাই মহিলাদের। ২০২৩ সালের প্রথম অনূর্ধ্ব-২০ সাফেও চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ওই সময় ঢাকায় ফাইনালের প্রতিপক্ষ ছিলো নেপাল। অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলারদের বয়সের গ-ি পেরিয়ে এবার প্রথম অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা সাফ। এতেই বাংলাদেশ তার সুনাম ও দাপট অব্যহত রাখল।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com