শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
বিশ্বমানের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : রাষ্ট্রপতি রাসূল (সা.)-এর সীরাত থেকে শিক্ষা নিয়ে দৃঢ় শপথবদ্ধ হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে—ড. রেজাউল করিম চৌদ্দগ্রামে বাস খাদে পড়ে নিহত ৫, আহত ১৫ চাহিদার চেয়ে ২৩ লাখ কোরবানির পশু বেশি আছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী রাজনীতিবিদেরা অর্থনীতিবিদদের হুকুমের আজ্ঞাবহ হিসেবে দেখতে চান: ফরাসউদ্দিন নতজানু বলেই জনগণের স্বার্থে যে স্ট্যান্ড নেয়া দরকার সেটিতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার মালয়েশিয়ার হুমকি : হামাস নেতাদের সাথে আনোয়ারের ছবি ফেরাল ফেসবুক হামাসের অভিযানে ১২ ইসরাইলি সেনা নিহত আটকে গেলো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থ ছাড় গাজানীতির প্রতিবাদে বাইডেন প্রশাসনের ইহুদি কর্মকর্তার লিলির পদত্যাগ

কালীগঞ্জে আশ্রয়ণের ঘরে ফাটল জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস

হুমায়ুন কবির ঝিনাইদহ
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মাইজদীয়া বাঁওড় পাড়ে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মিত ঘরে ফাটল ধরেছে।সেখানে বসবাসরত বেদে সম্প্রদায়ের অসহায় পরিবারগুলো ঘর মেরামত করতে না পারায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই নিরুপাই হয়ে বসবাস করছেন ফাটল ধরা ঘরে। যে কোন সময় দেয়াল ধ্বসে প্রাণহানী ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবারগুলো। জানাগেছে, বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূল ধারায় নিয়ে আসতে সরকারের উদ্যোগে ২০২২ সালের ২১ জুলাই ঝিনাইদহে কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জগন্নাথপুর গ্রামের মাজদীয়া বাঁওড়ের ধারে বেদে সম্প্রদায়ের বসবাসের জন্য ৫৯ পরিবার নিয়ে স্বপ্ননীড় আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে উঠেছে। গৃহহীনদের জন্য সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় মাইজদীয়া বাঁওড় পাড়ে ২ কক্ষ বিশিষ্ট ইটের পাকা ৫৯ টি ঘর নির্মাণ করা হয়। ঘর নির্মাণের মাত্র দুবছরের মাথায় সুবিধাভোগী বাবুল হোসেনের ৮নং ঘরের দেয়াল ফেটে যায়। বর্তমানে দেয়ালের ইট বা দেওয়াল খুলে পড়ার উপক্রম হয়েছে। যেকোন সময় দেয়াল ধ্বসে প্রাণহানীর মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন তারা। পরিবাররের লোকজন বলছেন, কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফাটলের ব্যাপারে জানালে তারা এসে পরিদর্শন করে ছবিও তুলে নিয়ে গেছেন। কিন্তু এর পরেও সংস্কার করা হয় নি। ১৩নং ঘরের সুরুজ আলী বলেন, ‘আমরা গরীব মানুষ। আমার সংসারে ৫ জন সদস্য রয়েছে। অনেক কষ্টে ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ করতে হয়। যে পরিমান আয় রোজগার হয় তা দিয়ে কোন রকম সংসার চলে। পাকা ঘর মেরামত করতে গেলে যে পরিমানে টাকার প্রয়োজন তা আমার নেই। বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই আতংক আর অশংকার মধ্যে নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে।’ এব্যাপারে সংশ্লিষ্ঠদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। এদের মতো ৯ নং বাড়ির আসমত আলী, ৪২নং ঘরের বাবুসহ বেশ কয়েকজনের ঘরে নানা ত্রুটি বিচ্যুতি দেখা দিয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, ভরাট জায়গার উপর আশ্রয়নের ঘরগুলো নির্মাণ করার কারণেই মূলত অল্প সময়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই ফাটল ধরা ঘরগুলোর সংস্কার কাজ করা হবে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com