ইন্দুরকানী উপজেলা প্রকৌশলীকে অপসারন ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন করা হয়েছে। রোববার উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে ইন্দুরকানী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এ মানববন্ধন করা হয়। জানা যায়, গত বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)এর একটি টিম পিরোজপুরে এলজিইডির শত কোটি টাকার দূর্ণীতির তদন্তে ইন্দুরকানীতে আসেন। এসময় উপজেলা প্রকৌশলী লায়লা মিথুন তাদের সাথে ছিলেন। বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গিয়ে স্থানীয় এক সংবাদ কর্মী লায়লা মিথুনের কাছে দুদক টিমের তদন্তের বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে তিনি এসময় তথ্য না দিয়ে উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে কুরুচিপূর্ন মন্তব্যের পাশাপাশি তাদের ডান্ডাবারি দেয়ার হুমকি প্রদান করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন করা হয় । মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি খান মোঃ নাসির উদ্দিন, সাবেক সভাপতি এইচ এম ফারুক হোসাইন, এম. আহসানুল ছগির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান খান, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ আল আমিন হোসেন,দপ্তর সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিন, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, হাফিজুল ইসলাম, কে এম শামীম রেজা,আরিফুল ইসলাম আরিফুল হাওলাদার, কামরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান,এইচ এম বাশার,সাইফুল ইসলাম। এসময় বক্তারা বলেন, পিরোজপুরে এলজিইডির প্রায় ১৭শ কোটি টাকা লোপাটের প্রকল্পের অংশ ইন্দুরকানীতেও রয়েছে। যার প্রধান সহযোগি ছিলেন এই লায়লা মিথুন। ২০২০ সাল থেকে তিনি ইন্দুরকানী উপজেলা প্রকৌশলীর পদে কর্মরত রয়েছেন। গত পাঁচ বছরে ইন্দুরকানীতে ইফতি ট্রেডার্সের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে লুটপাটের সহযোগিতা করে আসছেন। এসয়ম বক্তারা দুর্নীতিবাজ আওয়ামী সরকারের দোসর উপজেলা প্রকৌশলী লায়লা মিথুনকে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহার পূর্বক বিভাগীয় শাস্তি দাবি জানান। পিরোজপুর এলজিইডি জেলা প্রকৌশলী রনজিৎ রায় মুঠোফোনে বলেন, এধরনে বক্তব্যের জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এবং বর্তমানে আমি অসুস্থ্য। চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছি। ফিরে এসে এবিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে বসে সুষ্ঠ সমাধান করা হবে।