সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

নিম্নমানের সামগ্রীতে নির্মাণ কাজ:দুর্যোগ ঝুঁকিতে গোপালবাড়ীর কালভার্র্ট

শেখ শামীম (কলমাকান্দা) নেত্রকোনা
  • আপডেট সময় রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংঙ্গুরা ইউনিয়নের গোপালবাড়ী চেংনী গ্রামে নাদান খালের ওপর নির্মিত বক্স কালভার্ট নিয়ে উঠেছে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে নিম্নমানের সিমেন্ট, রড ও পাথর। ফলে প্রকল্পটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে শুরুতেই। সাত দশমিক নয় তিন মিটার দৈর্ঘ্যের এই কালভার্ট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ২০২৫ সালের ৩০ জুন। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘জুয়েল ট্রেডার্স’। তবে শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন এলাকাবাসী। তাঁদের অভিযোগ, নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত রডের ব্যাস ও মান নিয়ন্ত্রণের বাইরে, পাথর অত্যন্ত নিম্নমানের এবং সিমেন্টও যথাযথভাবে মেশানো হচ্ছে না। ফলে অল্প সময়েই স্থাপনা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। গোপালবাড়ি গ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের সভাপতি কমল দারিং বলেন, এভাবে কাজ হলে বছর না যেতেই কালভার্টে ফাটল ধরবে। টেকসই না হলে বর্ষায় গ্রামের যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘জুয়েল ট্রেডার্স’ এর নিযুক্ত প্রতিনিধি সবুজ মিয়া বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগ সঠিক নয়। আমরা সরকারি প্রাক্কলন অনুযায়ী বক্স কালভার্ট নির্মাণ কাজ করেছি। উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যেসব স্থানে গুণগত ত্রুটি পাওয়া যাবে, সেগুলো দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ইতোমধ্যে কাজের গুণগত মান নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল। তাঁদের আশঙ্কা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আওতায় নির্মিত স্থাপনাগুলোর মান যদি নিশ্চিত না হয়, তবে তা ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com