বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

‘নোমোফোবিয়া’র প্রতিকার

আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

মোবাইল ফোনটা কিছু সময় হাতছাড়া হলেই বুক ধড়ফড় করতে শুরু করে? মনে হয় যেন চারপাশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন? আপনি একা নন, এই অভিজ্ঞতা এখন অনেকেরই। আধুনিক জীবনের ছায়া হয়ে থাকা এই অনুভবের পেছনে রয়েছে একটি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ‘নোমোফোবিয়া’। এটি একটি নতুন ধরনের ভয়, যা জন্ম নেয় প্রযুক্তির প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা থেকে। কীভাবে বোঝা যাবে আপনি এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত কি না? আর মুক্তি পাওয়ার উপায়ই বা কী? চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই উত্তরগুলো।
‘নোমোফোবিয়া’ এই শব্দটি এসেছে ‘নো মোবাইল ফোন ফোবিয়া’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ থেকে। ফোবিয়া শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ফোবোস থেকে। ফোবোস অর্থ ভয়। এর মানে, মোবাইল ফোন না থাকলে বা ব্যবহার করতে না পারলে যেসব মানুষ অস্বস্তি বা আতঙ্কে ভোগেন, তাদের এই মানসিক অবস্থাকে বলা হয় নোমোফোবিয়া। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা একধরনের আধুনিক ফোবিয়া, যা প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের এক নেতিবাচক প্রভাব।
গবেষণা বলছে, এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত অনেকেই এমনকি ঘুমের সময়ও ফোন বন্ধ করেন না। এমনকি যদি ফোনটি ব্যবহার করার প্রয়োজন না-ও থাকে, তবুও সেটি বন্ধ রাখা বা দূরে সরিয়ে রাখাটা তাদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
যখন এক জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিল ‘আপনি ফোন বন্ধ করেন না কেন?’
সেখানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ বলেছে, পরিবারের সঙ্গে সংযোগ রাখার জন্য ফোন চালু রাখাটা জরুরি। ১০ শতাংশ জানিয়েছে, হঠাৎ কোনো কাজের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে হতে পারে। ৯ শতাংশ সরাসরি বলেছে, ফোন বন্ধ করলে তাদের দুশ্চিন্তা হয়।
নোমোফোবিয়ার সাধারণ কিছু লক্ষণ:
>> সারাক্ষণ ফোন হাতে থাকেই; কখনোই বন্ধ করা হয় না, এমনকি ঘন ঘন চেক করা হয় মেসেজ বা কল এসেছে কি না।
>> ফোনে চার্জ থাকার পরও বারবার চার্জে দেওয়া হয়, যেন হঠাৎ বন্ধ না হয়ে যায়।
>> খাবার খাওয়ার সময়ও ফোন হাতে রাখতে হয়।
>> ফোন ছাড়া কোথাও যাওয়া যেন অসম্ভব, এমনকি বাথরুমেও ফোন সঙ্গে থাকে।
>> ফোনে সিগন্যাল না থাকলে অস্বস্তি লাগে বা মন খারাপ হয়ে যায়।

নোমোফোবিয়া থেকে মুক্তির কিছু কার্যকর উপায়:
>> রাতের ঘুমে যাবার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন বন্ধ করুন বা দূরে সরিয়ে রাখুন, যেন ঘুমে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।
>> অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসের নোটিফিকেশন অফ করে দিন, এতে মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে।
>> প্রতিদিনের জন্য নির্দিষ্ট একটি সময় ঠিক করুন, যেটার বাইরে আপনি ফোন ব্যবহার করবেন না।
>> সময় দেখার জন্য ফোন না দেখে হাতঘড়ি ব্যবহার শুরু করুন।
>> পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনদের সঙ্গে বেশি সময় কাটান, বই পড়ুন কিংবা নিজের পছন্দের সৃজনশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। তথ্যসূত্র: ফোর্বস




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com