শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৬নং ওয়ার্ডের ভেদ শিমুলতলী নতুন পাড়া পাহাড় কেটে অবৈধভাবে পাকা ভবন নির্মাণ

মোশারফ হোসেন সেলিম (স্টাফ রিপোর্টার) রাঙ্গামাটি
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

পাহাড় কেটে পাকা ভবন নির্মাণ, রাঙামাটিতে পরিবেশের উপর হুমকি রাঙামাটি, ২৩ জুন ২০২৫ রাঙামাটি সদর উপজেলার শিমুলতলী নতুন পাড়ায় পাহাড় কেটে অবৈধভাবে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে লাভলী মজুমদার ও তার স্বামী কার্তিক ঘোষের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই পাহাড়ের মাটি কেটে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে এবং ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। শিমুলতলী নতুন পাড়ার বাসিন্দারা জানান, লাভলী মজুমদার ও কার্তিক ঘোষের তত্ত্বাবধানে পাহাড়ের ঢাল কেটে একটি পাকা ভবন তৈরি করা হচ্ছে। এতে করে ওই এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাহাড় কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে ভূমিধসের আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে, যা পার্শ্ববর্তী বাড়িঘর ও জনজীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ। শিমুলতলী এলাকার রূপনা চক্রবর্তী জানান, ২০১৭ সালে এই জায়গায় তার একটি ঘর ছিল। সেখানে তিনি বসবাস করতেন। ওই বছর ভূমিধ্বসে তার ঘর ভেঙে যায়। এই সুযোগে লাভলী মজুমদার প্রভাব খাটিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করে নেয় ওই জমি। সেখানে তিনি গড়ে তোলেন পাকা ভবন। এ নিয়ে রূপনা চক্রবর্তী আদালতে মামলা দায়ের করলে তৎকালীন সহকারী কমিশনার ভূমি সরেজমিনে তদন্ত করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। লাভলী মজুমদার সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গড়ে তুলেছেন দোতলা ভবন। লাভলী মজুমদার বলেন, এখন দেশে কোন সরকার নেই। কার কাছে অনুমতি নিয়ে ভবন করবো। তাই পৌরসভা বা পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন মনে করিনি। পরিবেশ অধিদপ্তরের রাঙামাটির উপপরিচালক মুমিনুল ইসলাম বলেন, লাভলী মজুমদারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ শুনেছি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তবে লাভলী মজুমদার বা কার্তিক ঘোষের পক্ষ থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মো: হাবিব উল্লাহ বলেন, পাহাড় কেটে ভবন নির্মান করা বেআইনী। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়াও তিনি পাহাড় ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে গণসচেতনতা গড়ে তোলার আহবান জানান।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com