বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

২৪৭ রানে অলআউট বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

তাইজুল ইসলাম শেষদিকে এসে বেশ লড়াই করলেন। যার ব্যাটে চড়ে কলম্বো টেস্টের প্রথম ইনিংসে আড়াইশর কাছাকাছি গেলো বাংলাদেশ। ৭৯.৩ ওভারে ২৪৭ রানে অলআউট হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দ্বিতীয় দিনে শেষ ২ উইকেটে ২৭ রান যোগ করেছে টাইগাররা।
টেস্টের প্রথম দিনে আলোক স্বল্পতায় খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৭১ ওভারে ৮ উইকেটে ২২০ রান করেছিল বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম ৯ আর এবাদত হোসেন ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন গত বুধবার শুরু কলম্বো টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। খুবই রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলা শুরু করেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও এনামুল হক বিজয়।
কিন্তু এবারও উইকেটে স্থির হতে পারেননি বিজয়। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে আসিথা ফার্নান্দোর বলে ব্যাটের ভেতর কাণায় লেগে বোল্ড হন তিনি। ১০ বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। সর্বশেষ তিন টেস্ট ইনিংসে দ্বিতীয়বার ডাক মারলেন বিজয়।
আউট হওয়ার আগে লঙ্কান ডানহাতি পেসারের বলে আরও দুইবার জীবনও পান। ইনিংসের তৃতীয় আসিথার বলে বিজয়ের ক্যাচ ফেলে দেন লঙ্কান উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিস। পরের বলে তৃতীয় স্লিপে আবার ক্যাচ তোলেন ডানহাতি ব্যাটার। অর্থাৎ দুটি জীবন পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি বিজয়। এরপর উইকেটে ভালোভাবেই সেট হয়েছিলেন মুমিনুল হক। কিন্তু ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। ৩৯ বলে ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন ক্যাচ দিয়ে।
ইনিংসের ১৭তম ওভারের প্রথম বলে লঙ্কান স্পিনার ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার বলে রুম করে মারতে গিয়ে বদলি ফিল্ডার পাবান রত্মায়েকের হাতে ক্যাচ হন বাঁহাতি টাইগার ব্যাটার। এতে ভাঙে বাংলাদেশের দ্বিতীয় উইকেটে ৩৮ রানের জুটি। দলীয় ৪৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
তৃতীয় উইকেটে ৩১ রানের জুটি করেন সাদমান ও শান্ত। কিন্তু মাত্র ২ রানের ব্যবধানে দুই সেট ব্যাটারের উইকেট খুইয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।
ইনিংসের ২৮তম ওভারের শেষ বলে আউট হন শান্ত। ৩১ বলে ৮ রান করে লঙ্কান পেসার ভিশ্ব ফার্নান্দোর বলে উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। দলীয় ৭৪ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর ২ রান যোগ হতেই সাজঘরের পথ ধরেন সাদমান। ২৯তম ওভারের শেষ বলে থারিন্দু রত্মায়েকের ঘূর্ণিতে ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার হাতে ক্যাচ তুলে দেন টাইগার বাঁহাতি ব্যাটার। ৯৩ বলে ৪৬ রান করে ফেরেন সাদমান।
৩৩.২ ওভারের খেলা শেষে নেমেছিল বৃষ্টি। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বৃষ্টির শুরুর আগে ৪ উইকেটে ৯০ রান করেছিল বাংলাদেশ। প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার ফের খেলা শুরু হয়।
এরপরই ভুল করে বসেন লিটন। মুশফিক আর লিটনের জুটি আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু লিটনের ভুলে সেই জুটি ৬৭ রানের বেশি বড় হয়নি।
আগের ওভারেই প্রভাত জয়সুরিয়াকে স্লগ করতে গিয়ে বল আকাশে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন। একটুর জন্য সে ক্যাচ জয়সুরিয়ার হাত ফস্কে যায়। কিন্তু ভুল থেকে শিক্ষা নেননি লিটন।
পরের ওভারে দিলেন উইকেটের পেছনে ক্যাচ। দুই-তিনবারের চেষ্টায় সেই ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করলেন উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিস। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই উইকেট পান বাঁহাতি স্পিনার সোনাল দিনুশা। ৫৬ বলে ২ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় লিটন ফেরেন ৩৪ করে। ৫ উইকেটে ১৪৪ রান নিয়ে প্রথম দিনের চা-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
শেষ সেশনে মুশফিক-মিরাজ জুটির দিকে তাকিয়ে ছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু মুশফিকের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটার এমন ভুল করে বসলেন, যা ভীষণ দৃষ্টিকটুই ঠেকেছে।
দলের বিপদের মুখে প্রিয় স্লগ সুইপ খেলে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন মুশফিক। ৭৫ বলে ৪ বাউন্ডারিতে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রান। এর আগে ব্যক্তিগত ৮ রানের মাথায় স্লগ সুইপে ক্যাচ দিয়েও জীবন পেয়েছিলেন মুশফিক। চোট কাটিয়ে দলে ফেরা মেহেদী হাসান মিরাজ বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলছিলেন। নাঈম হাসানকে নিয়ে ৫৬ বলে ৩৭ রানের একটি জুটিও গড়ে ফেলেছিলেন।
কিন্তু বিশ্ব ফার্নান্ডোর পেস বুঝতে না পেরে খোঁচা মেরে স্লিপে ক্যাচ দেন মিরাজ। ৪২ বলে ৩১ রানের ইনিংসে ৩টি চার হাঁকান এই অলরাউন্ডার। দুইশর আগে (১৯৭ রানে) ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ২৫ করে বোল্ড হন নাঈম হাসান।
দ্বিতীয় দিনের সকাল সকাল আসিথা ফার্নান্ডোর বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন এবাদত হোসেন (৮)। এরপর অনেকটা সময় একাই লড়াই করেন তাইজুল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত ৬০ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৩৩ রান করে স্পিনার সোনাল দিনুশাকে ডাউন দ্য উইকেটে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হয়ে ফেরেন তিনি। শ্রীলঙ্কার আসিথা ফার্নান্ডো আর সোনাল দিনুশা নেন তিনটি করে উইকেট।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com