বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচারকে বাংলাদেশের মানুষ কিছুদিন আগে বিতাড়িত করেছে। এই স্বৈরাচারের মনোজাগরণ প্রতিরোধ ও প্রতিহত করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই দেশ যাতে কোনো চরমপন্থা বা মৌলবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হতে না পারে সেটিও কিন্তু আমাদের প্রত্যাশা ও লক্ষ্য।
তিনি বলেন, একজন প্রকৃত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী মানুষের জীবনের শেষ দিনও প্রথম এবং শেষ বাংলাদেশী হওয়া উচিত, এটাই তার বিশ্বাস এবং আদর্শের একমাত্র পরিচয়। এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ় অবস্থানের সাথে কিন্তু আমাদের বিন্দুমাত্র পার্থক্য নেই। গতকাল রোববার (১৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জাতীয় কবিতা পরিষদ আয়োজিত আমরা ভার্চুয়ালি শুনবো ও বলবো’ এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, মানুষের ভোটাধিকারের জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, বাকস্বাধীনতার পক্ষে এবং একটা অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অর্থাৎ দেশে একটি একাউন্টেবল (জবাবদিহি) অবস্থা তৈরি করা একান্তই প্রয়োজন। আমরা মানুষের অধিকারগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, যদি আমরা একটি একাউন্টেবল রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হই। এটি সম্ভব মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষার পর থেকে।
যুগে যুগে কবি-সাহিত্যিকরা নির্ভিক চিত্তে মুক্তির কথা বলেছেন জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, কবিতা ছিল ৭১ -এর মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণার উৎস, যুদ্ধের
ময়দানে ক্ষুদা, যন্ত্রণা আর ক্লান্তিকে পরাজিত করেছিল কবিতার প্রেরণা। ৯০ -এর দশকজুড়ে এবং আমরা যেটা দেখেছি, গত দেড় যুগ ধরে চলে আসা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যেটা সাম্প্রতিক সময়ে উদ্ভাসিত হয়েছে। যার পরিপূর্ণতা ঘটেছে ২৪ -এর সফল গণআন্দোলনে ও গণঅভ্যুত্থানে একইভাবে।