নয়া দিগন্তের সাবেক সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন গতকাল শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর দেড়টায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
গত ৩০ মে বাসায় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুটা সুস্থ হলে কয়েকদিন পর তাকে বাসায় নেয়া হয়। গত সপ্তাহে তিনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে আবার একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। মরহুমের নামাজে জানাজা গতকাল বাদ মাগরিব রাজধানীর মনিপুরি পাড়া কৃষি ল্যাবরেটরিজ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার লাশ রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার দেহে খনিজ অসমতা, সোডিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়ামের মতো এক বা একাধিক খনিজের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি অথবা ঘাটতি দেখা দেয়। এ ছাড়া তার ইউরিন, শ্বাসকষ্ট, ব্লাড প্রেসার ওঠানামাসহ নানাবিধ সমস্যা ছিল বলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
প্রবীণ সাংবাদিক আলমগীর মহিউদ্দিন নাটোর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চাঁচকৈড় নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। পরে রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবনে আলমগীর মহিউদ্দিন দুই মেয়ের বাবা। চার বছর আগে তার স্ত্রী মারা গেছেন।
তার ইন্তেকালে সাংবাদিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে এসেছে। সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিকরা শোক প্রকাশ করেছেন। তার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন সাপ্তাহিক সোনার বাংলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. তাসনীম আলম, বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া, বংলাদেশ কালচারাল একাডেমির সভাপতি আবেদুর রহমান, সেক্রেটারি ইবরাহীম বাহারী, প্রচার সম্পাদক হারুন ইবনে শাহাদাত, কবি মোশাররফ হোসেন খান, বাংলাদেশ চারু শিল্পী পরিষদের সভাপতি ইব্রাহীম ম-লসহ বিশিষ্টজনরা।