বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
সাপাহারে ধানের জমিতে আগাছা নাশক স্প্রে করে ফসল বিনষ্ট দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ অভিবাসনেই খুলবে সমৃদ্ধির দ্বার: কয়রায় বিএমইটি’র সেমিনার কালিয়ায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালন উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের মাঝে চিত্রাংকন কবিতা রচনা প্রতিযোগিতা পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন পুলিশ সুপার প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠানে মতবিনিময় সভা দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের রজতজয়ন্তী উদযাপন রায়পুরে অঘোষিত হরতাল, আঞ্চলিক মহাসড়ক ফাঁকা! নগরকান্দায় কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল কালিয়ার নোয়াগ্রামে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ, ১৪জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২৫, আটক ২০ মুন্সিগঞ্জে স্বৈরাচার নেতার তোরণ ঘিরে মিরকাদিমে তোলপাড়

জাতিসংঘের প্রতিবেদন: গাজায় ৮০ শতাংশেরও বেশি ভবন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইসরায়েল/ ফাইল ছবি: এএফপি

গাজা উপত্যকার ৮০ শতাংশেরও বেশি এবং গাজা সিটির ৯২ শতাংশ ভবন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। গাজা পুনর্গঠনে কী কী দরকার তার চাহিদা মূল্যায়ন করছে সংস্থাটি। জেনেভায় ইউএনডিপির এক মুখপাত্র গাজার ধ্বংসস্তূপকে ‘বিধ্বংসী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সংস্থাটি অনুমান করছে, সেখানে কমপক্ষে ৫৫ মিলিয়ন বা সাড়ে পাঁচ কোটি টন ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
ইউএনডিপি বলছে, তারা কিছু অপসারণ শুরু করেছে, কিন্তু অবিস্ফোরিত বিস্ফোরক তাদের কার্যক্রমকে ব্যহত করছে।ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার কার্যক্রমের সময় অনেক মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে যেগুলো শনাক্ত ও সমাহিত করা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তারা।
জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিশ্বব্যাংক পরিচালিত পুনর্গঠন ব্যয়ের একটি অনুমান অনুসারে, গাজাকে আবার বাসযোগ্য করে তুলতে কমপক্ষে ৭০ বিলিয়ন ডলার (৫২.৭ বিলিয়ন পাউন্ড) প্রয়োজন হবে।
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমি মনে করি এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন, কারণ কেউ ভাবেনি যে এটা সম্ভব।
ইসরায়েল ও মিশর সফরের পর যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।গাজায় যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরছে, এটা বলা তড়িঘড়ি হয়ে যাবে কি না এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, অনেক মানুষ এক-রাষ্ট্রীয় সমাধান পছন্দ করেন। কিছু মানুষ দ্বী-রাষ্ট্রীয় সমাধান পছন্দ করেন। আমাদের দেখতে হবে। আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করিনি।
মিশরে ২০টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক সম্মেলনে গাজা সংক্রান্ত এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প। ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গাজা উপত্যকায় পরবর্তীতে কী হবে তা নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প।
তিনি প্রেসিডেন্ট না থাকলে শান্তি থাকবে কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, আমি বলতে পারছি না কী ঘটবে। তবে যেই হোক না কেন, তার পক্ষে আমি লড়াই করবো।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com