বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

শাহ বুলবুল:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা, আমরা তোমাদের ভুলব না’- এই চিরন্তন চেতনা ও গভীর শ্রদ্ধায় বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে উদযাপিত হলো মহান বিজয় দিবস-২০২৫। দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিজয়ের ৫৪ বছর ও বীর শহীদদের স্মরণ করা হয়। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এরপরই শুরু হয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কলেজের রেক্টর প্রফেসর তরুণ কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. সঞ্জয় কুমার ধর। তিনি তাঁর বক্তব্যে ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ শোষণ, বঞ্চনা ও সংগ্রামের ধারাবাহিক ইতিহাস শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন শিক্ষক প্রতিনিধি মোস্তাকিয়া মাহমুদা পারভীন। তিনি শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস হৃদয়ে ধারণ করার আহ্বান জানান। শিক্ষক প্রতিনিধি জাকিদুল ইসলাম বাচ্চু তাঁর বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে এই বিজয় অর্জিত হয়েছে। তবে বিজয় অর্জনের চেয়ে
তা রক্ষা করা কঠিন। তাই স্বাধীনতা অক্ষুণœ রাখতে আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর তরুণ কান্তি বড়ুয়া আবেগপ্রবণ কণ্ঠে ১৯৭১ সালে তাঁর পিতা হারানোর স্মৃতি চারণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধেই ছিল ১৯৭১ সালের মূল লড়াই। তিনি ১৬ ডিসেম্বর পরবর্তী বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও শিক্ষার্থীদের করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। আলোচনা শেষে শুরু হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে শিক্ষার্থী হৃদি সাহা ও সহকারী অধ্যাপক নাসির আফজালের আবৃত্তি দর্শকদের মুগ্ধ করে। শিক্ষার্থী অন্তর দেবনাথের একক ও দলীয় সংগীত অনুষ্ঠানটিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কলেজের সিনিয়র শিক্ষক তাহমিনা। জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক স্মৃতিময়ী বসাক উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com