ঢাকার কেরাণীগঞ্জে মসজিদের ভিতরে খতিবের উপর হামলার প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগী পরিবার। গতকাল শনিবার সকালে কেরাণীগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এক লিখিত বক্তব্যে তার পিতা হাজী তাজুল ইসলাম বলেন, কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্য খাড়াকান্দি ভেন্ডিঘাট সাকিনে ৩৯ শতাংশ জমি আমার দুই মেয়ে তানজিল ইসলাম ও খাদিজা ইসলামের নামে ক্রয় করে ছিলেন। তাতে দীর্ঘদিন যাবত ভোগদখল করে বিভিন্ন স্থাপনাও আছে। এইমত অবস্থায় একটি কুচুক্তি মহল, সন্ত্রাসী, পরলোভি,হিংসুটে, ভূমদস্যু প্যানেল চেয়ারম্যান আউয়াল মেম্বার এর নির্দেশে ১। মোঃ জাহাঙ্গীর(৩৮), ২। মহিউদ্দিন মিলন ৩। তিতাস ৪। আমিনুর ৫। সজিব ৬। হৃদয় সিকদার আরমান ৮। হৃদয়সহ ১০/১২ জনের গত ২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে আমার মেয়েদের উক্ত ভিটি ভূমিতে প্রবেশ করিয়া ভবন নির্মাণের কাজে বাধা সুষ্টি করে। এই খবর পেয়ে আমি ঘটনা স্থলে চলে আসি। বাধাকারীদের না পেয়ে,পাশে থাকা খাদিজাতুল কোবরা জামে মসজিদে জুম্মা নামাজ আদায় করি। সুন্নত নামাজের সময় উপরোক্ত বিবাদীগণ সহ আরো অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়া মসজিদের ভিতরে প্রবেশ করিয়া আমার ছেলে খতিব রাফিআল ইসলাম (১৬)ড্রাইভার মনির হোসেনসহ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিয়া এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুসি, লাথি মারিয়া শরীরের বিভিন্নস্থানে নীলাফুলা জখম করিয়া রক্তাক্ত করে। এবং বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। আক্রমনকারী তিতাস আমার পরিধান কুটির দুপকেটে থেকে আমার মোবাইল , নির্মানাধীন শ্রমিকের মজুরী, রড, সিমেন্ট, ইট ও বালু কেনার বাবদ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা জোড় করে ছিনিয়ে নেয়। এসময় আমার ডাকচিৎকারে আশেপাশের থাকা লোকজন আসিয়া আমাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করি। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মামলায় জামিন নিয়ে আসামীগন আমাকে ও আমার পরিবারকে একাধিকবার জানের হুমকি দিয়ে বেড়াইতেছে। তিনি আরো বলেন, আপনাদের লিখনি দ্বারা আমার উপর পরিকল্পিত হামলা ও আমার সন্তাানদের ক্রয়কৃত জমির উপর কুদৃষ্টি,ও আমার জানমাল রক্ষার জন্য সঠিক বিচারের আবেদন করছি।