গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন, “গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের ৬৪ জেলার একটিএটি বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপ জেলা নয়। টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া দেশের বাইরে কোনো উপজেলা নয়। এখানে সঠিকভাবে কাজ হবে কিনাএ নিয়ে কোনো শঙ্কার কারণ নেই। সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১১টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ হলরুম-এ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গোপালগঞ্জ জেলার উন্নয়ন বিষয়ে কোনো কার্পণ্য না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। দেশের অন্যান্য উন্নত জেলার মতো গোপালগঞ্জও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ জেলার প্রতি কোনো বৈষম্য রাখা হবে না। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রশাসনিক সমন্বয়, উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং জনসেবা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। এস এম জিলানী বলেন, আমি আমার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকারমান উন্নয়নে কাজ করব। কোনো ব্যক্তিগত বা দাপ্তরিক সমস্যা থাকলে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। সমস্যা সমাধানে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সভা শেষে পবিত্র রমজান উপলক্ষে অসহায় ও নি¤œআয়ের মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। এরপর তিনি উপজেলা পরিষদের সামনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন দুপুর ১২ টায় গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর অধীনে সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নে গ্রামীণ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়েজ আহমেদ, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রদীপ মজুমদারসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে বেলা সাড়ে ১টার দিকে তিনি টুঙ্গিপাড়া ১০০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান ও বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ নেন। নার্স ও চিকিৎসকদের কাছ থেকেও দাপ্তরিক ও সেবাসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ শুনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।