বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
উন্নয়ন ও সঠিক পরিকল্পনা এবং অব্যবস্থাপনার কারণে ঐতিহ্য হারাচ্ছে পাইকগাছার চাঁদখালী হাট সুটিয়াকাঠীর প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদকে নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়ির অভিযোগ মৌলভীবাজারে সাংবাদিকদের সম্মানে জেলা জামায়াতের ইফতার মাহফিল উলিপুরে সাংবাদিকদের সম্মানে নব-নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যের ইফতার মাহফিল সিংড়ায় হাঁসের ডিমের দামে ধস, দিশেহারা খামারিরা লামা পৌর বিএনপির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে শেরপুরে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন জামালপুরে ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গঠনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা কমলগঞ্জে ফাগুয়া উৎসবে মাতোয়ারা চা শ্রমিকরা কালিয়ায় ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি আটক

সুটিয়াকাঠীর প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদকে নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়ির অভিযোগ

নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

রাজনীতির হোক ভোটের মাঠে কিন্তু বর্তমান সময়ে রাজনীতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করছে। আর এরফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর বিদ্রুপ প্রভাব বিস্তার করছে। ডিজিটাল যুগে সত্য কিংবা মিথ্যা তথ্য হুবুহু জড়িয়ে পড়েছে মুহুর্তের মধ্যে। আর সেই সূত্র ধরেই আসল রহস্য উদঘাটন করার সুযোগ কম থাকে। ফলে সমাজে ভুল তথ্যের কারনে মানুষ গড়ার মহান কারিগররা মাঝে মধ্যে দারুণ বেকায়দায় পড়তে হয়। জাতীর দ্বিতীয় পিতা খ্যাত মানুষ গড়ার মহান কারিগর শিক্ষকরা নেছারাবাদ সহ বহু জায়গায় মাঝে মধ্যে হেনস্তা হতে হয় ভুল তথ্যের কারনে। আর সেই সূত্র ধরেই সুপ্রিয় পাঠকদের সন্মানে একজন যোগ্য এবং মেধাবী শিক্ষকের বিষয় সঠিক তথ্য তুলো ধরার চেষ্টা করবো। আসলেই ডিজিটাল যুগে ভালো মন্দ যাছাই বাছাই করার সুযোগ কম। ফলে একটা ভুল সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর পরই সমাজে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সামাজিক মান সন্মানের কারণে অনেকে নিরবে নিভৃতে চুপসে যায়। আবার কেহ কেহ আইনের ধারায় লড়াই করে যায়। আর সেই রকম একটা অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর জেলার মধ্যে নেছারাবাদ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী হাজী শহিদুল্লাহ আকন। সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা অভিযোগের বিষয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সহ বহু অভিভাবক এবং সুশীল সমাজের বহু লোকজনের সাথে কথা বললেন। কোমলপ্রাণ শিক্ষার্থীরা সরাসরি টিউশন ফির বিষয়ে খোলামেলা কথা বললেন গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে। এছাড়াও উপবৃত্তির টাকা নিয়েও কথা বললেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বললেন, আমাদের প্রধান শিক্ষককে হেয় প্রতিপন্ন করার একটা প্লান। বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা অতি সাহস করে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের জানামতে এক ভদ্রলোকের পাথর নেওয়ার বিষয়ে আমাদের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। সেই সূত্র ধরেই সমাজের একটা পক্ষ আমাদের প্রাণপ্রিয় মানুষ গড়ার মহান কারিগর আমাদের স্যারকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় বহু অভিভাবক মনখোলা ভাবে গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে কথা বললেন সরেজমিনে যাওয়া সাংবাদিকদের সাথে। প্রায় পঞ্চাশের উপরে অভিভাবকদের সাথে কথা বললেন। নির্ভয়ে এবং সাহসী উচ্চারণ করে বললেন, সমাজের একটা চক্র বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যাবহার করতেন। কমিটির বেশির ভাগ লোকজন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা। সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন হাই স্কুলকে নিজেদের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করতেন। অথচ আজ সময়ের পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের কথা বলার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আর সেই কারনে আমাদের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পষ্ট কথা বলার চেষ্টা করলেন। আর সেই কারনেই এলাকার কিছু কিছু মানুষের গাত্রদাহ হয়েছে। ফলে হুটহাট করে একখানা অভিযোগ তুলে ধরলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর। সময় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা না করে সরাসরি আজগুবি গল্প সাজিয়ে সরাসরি প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনকে কাঠগড়ায় আনার চেষ্টা করা হলো। এদিকে নান না প্রকাশের শর্তে বহু হতদরিদ্র পরিবারের অভিভাবকরা গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, প্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যাবহার করে পাথর নেওয়ার বিষয় নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। প্রধান শিক্ষক নিয়মের মধ্যে প্রতিবেশীকে একটা নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে পাথর নেওয়ার আহবান জানান। তড়িঘড়ি করার কারণ হলে স্কুল বাৎসরিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান। যদিও প্রতিবেশী প্রতিষ্ঠানের ভূমিদাতা। অথচ সরকারি আইন কানুনের কথা বেমালুম ভুলে গেছেন ভূমিদাতা পরিবারের সদস্যরা।অভিভাবকরা আরও বলেন, আমাদের সকলের সুপ্রিয় মানুষ এবং মেধাবী শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনের কাজকর্ম এককথায় চমৎকার। বিগত ১৫ বছরের সময়ে আমাদের প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ হয়েছে। সুপ্রিয় পাঠকদের জন্য না বললেই নয়, বর্তমান সময়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেন কাজেকর্মে নম্বর ওয়ান। মেধাবী শিক্ষক নিঃসন্দেহে নইলে আওয়ামী লীগের সময়ে বিএনপি অনুসারী শিক্ষককে নিয়োগ দেয়। বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে নিয়োগ মানেই রমরমা বানিজ্য। অথবা সুটিয়াকাঠীর বেশীরভাগ লোকজন বিএনপির রাজনীতির মাঠে শক্তিশালী কিন্তু রাস্ট্র ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। এলাকার স্বার্থে আওয়ামী লীগের লোকজনও শিক্ষক নিয়োগে বানিজ্য নয় বরং মেধার মূল্যায়ন করেন প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে। আর সেই কারনে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ কর্মীরা আওয়ামী লীগকে ধন্যবাদ দেন।আর সেই মেধাবী শিক্ষক আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেন। নীতি আদর্শের সৈনিকও বলা যায় নিঃসন্দেহে। অবশ্য দোষে গুনে আমরা সকলেই। আমরা সকলেই কিন্তু মানুষ। দোষের বাহিরে আমরা কেহই নই। এবিষয়ে একজন ব্যাবসায়ী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, নিঃসন্দেহে প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ নীতি আদর্শের সৈনিক। স্কুলে যোগদানের পর থেকে অধ্যবদি প্রতিষ্ঠিনের উন্নয়ন করেছে। বিগত সময়ের চেয়ে বর্তমান সময়ে উন্নয়ন বেশী হয়েছে। একজন মহিলা সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, আমাদের জাহিদ এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র। স্কুল জীবনে মেধাবী ছাত্র ছিলেন। শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালনে নম্বর ওয়ান। সমস্যা হয়তো একটাই, সমাজের একটা অংশ সুবিধা পাচ্ছেন না এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকও সেই সুযোগ দিচ্ছেন না। ফলে অভিযোগের তীর আমাদেরকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে। বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে চলছে আমাদের সুটিয়াকাঠীর ইউনিয়ন হাই স্কুলের কার্যক্রম। বেশীরভাগ লোকজন সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে এক ধরনের কাঁদা ছোড়াছুড়ি মাত্র। তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে অতিরঞ্জিত করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে হাজী শহিদুল্লাহ আকন সহ হেদায়েতুল ইসলাম হীরা গংরা।হীন স্বার্থের জন্য আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনকে নিয়ে সমাজের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে। আসল রহস্য পাথর নেওয়াকে কেন্দ্র করে। এবিষয়ে বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা বলেন, জাহিদ আমাদের এলাকার সন্তান এবং বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে পাথর নেওয়ার বিষয়ে কঠিন কথাবার্তা বলছেন। এটা শতভাগ সত্য কিন্তু তাই বলে আজগুবি গল্প সাজিয়ে মিথ্যা অভিযোগ মেনে নেওয়া যায় না। এদিকে বিএনপির প্রবীণ রাজনীতিবিদ গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে আরও বলেন, এটা এক ধরনের বাড়াবাড়ি ছাড়া আর কিছুই নয়। নইলে বিগত ১৫ বছরে বহু অপকর্ম হয়েছে। অথচ তখনতো কাউকে স্পষ্ট কথা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়নি। স্কুলের স্বার্থে পাথরের বিষয়ে খোলামেলা কথা না বলে হয়তো কঠিন ভাষায় কথা বলেছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেন। এদিকে মিয়ারহাট বাজারের বহু শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে হরিলুট হয়েছে তখনতো কাউকে অভিযোগ দিতে দেখলাম না। মনে রাখতে হবে একজন প্রধান শিক্ষক ইচ্ছে করলেই যা খুশি তাই করতে সক্ষম হয়না। নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে চলার কোন ধরনের স্কোপ নেই। এব্যাপারে কথা হয় সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদ হোসেনের সাথে। সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা সুটিয়াকাঠীর ইউনিয়নের বেশীরভাগ ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন। বহু অভিভাবকদের সাথেও কথা বলেন। সর্বশেষ কথা বলার জন্য প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বললেন। তিনি বিনয়ের সাথে সকল অভিযোগের বিষয়ে খোলামেলা কথা বললেন। গঠন মূলক কথা বলার পাশাপাশি সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন। আপনারা সাংবাদিক, জাতির চতুর্থ স্তম্ভ। তাই আপনারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের কপি হাতে পেয়েছেন আরও আগে ।আপনারা সকল অভিযোগের বিষয়ে সকলের সাথে কথা বলেছেন। আমি একটা কথাই বলবো, আমি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের জন্য সব সময় ভালো কাজ করবো। আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাইনা। এই প্রতিষ্ঠান আমাদের সকলের। আমি এই বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। বর্তমান সময়ে আমি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক। এটা মহান আল্লাহর কারিশমা। আলহামদুলিল্লাহ মাশাল্লাহ। আমি আমাদের প্রতিষ্ঠানের ভালোর জন্য অনেক সময় অনেককে কটু কথা বলি। হয়তো এটাই আমার অপরাধ নইলে আপনারা বেশ কয়েকজন সাংবাদিকরা আমার সাথে কথা বলতেছেন। আপনারা সচেতন তাই আবারও জোর গলায় বলি,আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্য প্রণীত। একটা মহল আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় পতিপন্ন করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। আপনারা সুটিয়াকাঠীর বহু এলাকায় গিয়েছেন সঠিক তথ্য উদঘাটন করার নিমিত্তে। আমি আবারও স্পষ্ট ভাষায় বলবো, আমাকে নিয়ে একটা মহল অহেতুক কাঁদা ছোড়াছুড়ি করার মিশনে রয়েছে। আমি শতভাগ নির্দেশ এবং নীতি আদর্শের সৈনিক হয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন মূলক কাজকর্ম করে যাচ্ছি আপন মহিমায়। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে কথা হয়। গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমরা সকল অভিযোগের সত্যতা যাছাই বাছাই করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে আছি। হুটহাট করে যেকোনো লোক একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ করতে পারেন। আর সেই সূত্র ধরেই আমরা সঠিক দায়িত্ব নিয়ে বাস্তব ঘটনা যাচাই বাছাই করে প্রকৃত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করি। আপনারা সকলেই আস্বস্ত করবো, আমরা স্বল্প সময়ের মধ্যে সঠিক তথ্য উদঘাটন করবো ইনশাআল্লাহ। প্রকৃত সত্য ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করবো।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com