শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

খাটের উপরের ধারা বিক্রি করে সংসার চলে মাহামুদারের

আব্দুল আলীম প্রামানিক (গঙ্গাচড়া) রংপুর
  • আপডেট সময় রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

রংপুরের মর্ণেয়া ইউনিয়নের আলাল গ্রামের মৃত আহম্মদ আলী ছেলে ৮ বছর বয়সে বাবার সাথে খাটের ধারার কাজ করতেন। বাবা মৃত্যুর পর তার বয়স হয়েছিল ২২ বছর। তিস্তার নদী ভাঙ্গনে বাপ-দাদার ভিটা মাটি নদীতে বিলীণ হয়ে যায়। তারপরেও ধারা তৈরি করে হাট-বাজারে বিক্রি করে সংসার চালান। তিনি আরাজিনিয়ামত গ্রামের মৃত ফজলুল হক নয়া মিয়ার বোন ফিরোজা বেগমকে বিয়ে করেন। ভিটে মাটি না থাকায় অন্যের বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। সংসার জীবনে তার ৬ ছেলে মেয়ে জন্ম হয়। ৬ ছেলে মেয়ে তিনি বিয়ে দিয়েছেন। ধারা বিক্রির টাকা ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তিনি ৫ শতক জমি ক্রয় করে ঘর বাড়ি নির্মাণ করে নিজ ঘরে বাড়িতে বসবাস করেছেন। গঙ্গাচড়া বাজারে খাটের ধারা নিয়ে দাড়িয়ে থাকা মাহামুদার রহমান (৮০) সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, একটি ধারা তৈরি করতে ৪ দিন সময় লাগে। হাট-বাজারে ঘাড়ে নিয়ে বেড়াই। বিক্রি হয় ৪-৫শতক টাকা। তাছাড়া বাঁশের দামও বেশি অল্প আয়ে সংসার চলে না। কোন মতে সংসার চলে। কোন কোন দিন হাটে বা বাড়িতে ধারা বিক্রি হয় না। ধার দেনা করে চলতে হয়। বর্তমানে তিনি গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ নবনীদাস গ্রামে বসবাস করছেন। ছেলেরা আলাদা খান। বাবা-মায়ের খবর নিলেও তার কষ্টে দিনাদিপাত করছেন।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com