কুচিন্তা সহ যাবতীয় অপরাধ মূলক কাজকর্ম করে চরম বিতর্কিত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে জগন্নাথকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মৃত হাবিবের (মিথ্যা হাবিব) ছেলে মোঃ ফারুকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মোঃ মাসুম বেপারী ও মোঃ মিজান বেপারি সহ গ্রামের লোকজনরা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বিগত সময়ে হাবিবুর রহমান কে মিথ্যা হাবিব না বললে কেহই চিনতো না। আর সেই সূত্র ধরেই পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ে ফারুক আহামরি ভালো হওয়ার কথা নয়। নইলে প্রতিবেশীর জায়গা দখল করা সহ হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের পথে বসানোর গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে মোঃ ফারুকের বিরুদ্ধে। গ্রামের মধ্যে এক নামে চিনেন বহুরূপী ফারুক হিসেবে। নইলে মৃত বাবার ঐতিহ্য ধরে রাখার মিশনে থাকবে কেন? জগন্নাথকাঠী গ্রামের মধ্যে বেশির ভাগ লোকজনরা বলেন, সুবিধাবাদী নেতা। কেহ কেহ বলেন ওজা ফারুক। আবার অনেকে চিনেন ফারুক হুজুর। আসলে বহুগুণে গুণান্বিত ফারুক। অবশ্য গ্রামের একটা বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ফারুক দুরান্দার প্রকৃতির লোকের মধ্যে একজন। অপর একটা সূত্র বলে টাউট ফারুক হিসেবেও চিনেন অনেকে। গ্রামের সুশীল সমাজের লোকজন গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, হীন স্বার্থের জন্য সবকিছু করতে নম্বর ওয়ান অলরাউন্ডার চিটার ফারুক। পূর্ব থেকেই প্রতিবেশীর জায়গা দখল করবে শুধু বিএস রেকর্ডের কারনে। আর সেই সূত্র ধরেই ভুক্তভোগীদের সাথে বিরোধ চলমান।
অথচ শালিসি বৈঠকে মূল কাগজ পত্র চাইলে পরে দেওয়ার কথা বলে সময় নেয়। পরবর্তী সময়ে আর মূল কাগজ পত্র জমা দেয়না বহুরূপী ফারুক গংরা। এব্যাপারে ভুক্তভোগী মৃত্যু নূরুল হক বেপারীর ছেলে মোঃ মাসুম বেপারী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের জায়গা দখল করে ভোগদখলে ফারুক গংরা। আজ আমরা পথে বসেছি, গুচ্ছ গ্রামে বসবাস করে যাছি। মিথ্যা হাবিবের উত্তরসূরী টাউট ফারুক বর্তমানে বাবার ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকল অপকর্ম করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। জলন্ত প্রমাণ দলিল নম্বর ১৪৪১, জেএল নম্বর ১৫, জমির দাগ নম্বর ৪৯২/৪৯৩। জমির পরিমাণ কওলা সূত্রে ১০ শতাংশ এবং ওয়ারিশ সূত্রে ৪৩ শতাংশ। মোট সম্পত্তির মালিক বর্তমানে আমি সহ আমাদের পরিবার। অথচ আমরা গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা। ফারুক গংরা মিথ্যা তথ্য তুলে ধরে বেআইনী ভাবে বিএস রেকর্ড বের করেন প্রতিবেশীদের জায়গা ভোগ দখলের জন্য। আর সেই সূত্র ধরেই উভয় পরিবারের সঙ্গে হামলা মামলার সহ অরাজকতা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে টাউট ফারুকের বিরুদ্ধে রেকর্ড সুট মামলা দায়ের করেন হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যরা। আর সেই মামলার জের ধরে ওজা ফারুক ও তার বড় ভাই ফরিদ সহ তাদের সহযোগীরা মাসুম বেপারীকে হুমকি ধুমকি দেয়। এরপর মাসুম ভয়ে বেঁচে থাকার জন্য জেলা ম্যাজিষ্টেট কোর্টে ৭ ধারা মামলা দায়ের করেন। মামলার ধারা ১০৭/১১৭/১১৪(গ) ফৌঃকাঃবিঃ অনুযায়ী। পরবর্তী সময়ে ফারুক গংরা জেলা কোর্টে মুচলেকা দিয়ে আসেন। মাত্র একদিনের ব্যাবধানে আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠে ধান্দা বাজ ফারুক গংরা। এদিকে বাটপার খ্যাত ফারুক ওজা আর এক প্রতিবেশী মৃত মানিক বেপারীর ছেলে মোঃ মিজানকেও পথে বসিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে মিজানের ভোগ দখলে থাকা সম্পত্তির বনজ ও ফলজ গাছ কেটে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে সরাসরি ফারুক গংদের বিরুদ্ধে ।প্রায় দেড় লক্ষ টাকার গাজ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তী সময়ে বৈধ সম্পত্তির মালিক বাদী মোঃ মিজান জেলা ম্যাজিষ্টেট কোর্টের শরণাপন্ন হয়।ফারুক ও তার বড় ভাই ফরিদ সহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ (২য় অংশ) দন্ড বিধি অনুযায়ী । মামলা দেওয়ার কারণে বাদী কোর্টে যেতে পারছেনা। তারিখে তারিখে উপস্থিত হতে পারছেন না বাদী মিজান বেপারি। নইলে মিজানের স্ত্রীকে মারধর করার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ। ফলে মিজানের স্ত্রী পিরোজপুর জেলা ম্যাজিষ্টেট কোর্টে মামলা দায়ের করেন ১০৭/১১৪/১১৭(গ) কাঃ বিঃ অনুযায়ী। আর এখানেও প্রতারক ফারুক কোর্টে মুচলেকা দিয়ে চলে আসে। এব্যাপারে এলাকার বিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সহ সাধারণ মানুষ গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, দেশের মধ্যে আইনের শাসন না থাকায় ফারুক ও তার ভাই ফরিদের বেআইনী কাজকর্ম থামছে না। যদিও অভিযুক্ত ফারুকের সাথে কথা হয়, গণমাধ্যম কর্মীদের। তিনি অকপটে বলেন আমি প্রতারক নই। আমাদের বিএস রেকর্ড আছে। পাল্টা প্রশ্ন কেন আপনারা মূল দলিল দেখতে পারেন না। মিথ্যোর আশ্রয় নিয়ে জবাব এড়িয়ে যায় কৌশলে মোঃ ফারুক গংরা। তবে মিজান ও তার স্ত্রী সরাসরি ফারুককে চিটিংবাজ বলে আখ্যায়িত করেন। অবশ্য মাসুম বেপারী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন ফারুক ভূমি খোর। সরকারি সম্পত্তি বেআইনী ভাবে ভোগদখল করে যাচ্ছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি অতীব জরুরী জগন্নাথকাঠী গ্রামের শান্তির পরিবেশ তৈরি করার জন্য। স্থানীয় প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও সহমত পোষণ করেন।