রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

দাগনভূঞায় রাত হলেই অটোরিকশা–সিএনজির দখলে আঞ্চলিক মহাসড়ক, যানজটে ভোগান্তি

দাগনভূঞা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

ফেনীর দাগনভূঞা পৌর শহরে রাত নামলেই অটোরিকশা ও সিএনজির দখলে চলে যাচ্ছে ফেনী–নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক। এতে সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রী ও পথচারীরা। অভিযোগ রয়েছে, রাতে সড়কটি অনেকটা যত্রতত্র পার্কিং ও অবাধ চলাচলের স্থানে পরিণত হয়, যেখানে মানা হচ্ছে না কোনো ট্রাফিক নিয়মনীতি। স্থানীয়রা জানান, পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নির্দেশনা দেওয়া হলেও অনেক চালক তা মানছেন না। ফলে প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকছে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে। বিশেষ করে আতাতুর্ক স্কুল মার্কেট, ইসহাক শপিং কমপ্লেক্স, বসুরহাট রোড, জিরো পয়েন্ট ও ফাজিলের ঘাট রোড এলাকায় সন্ধ্যার পর থেকে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের বেলায় সড়কে ট্রাফিক পুলিশ বা যানবাহন নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউকে খুব একটা দেখা যায় না। এ সুযোগে জিরো পয়েন্টসহ সড়কের বিভিন্ন প্রবেশপথে অটোরিকশা ও সিএনজি যত্রতত্র পার্কিং করে থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য ভ্রাম্যমাণ দোকান, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অটোরিকশা চালক আবু তাহের বলেন, সারাদিন যাত্রী কম থাকে, রাতে কিছুটা বাড়ে। সারাদিনে ২/৩ শত টাকা ইনকাম করি। এতে কিস্তি দেওয়া ও সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়ে। তাই যাত্রী পাওয়ার আশায় বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়াতে হয়।
তবে যেখানেই দাঁড়াই, সেখানেই দোকানদারদের বাধার মুখে পড়তে হয়। আগে এত অটোরিকশা ছিল না, এখন বেড়ে যাওয়ায় আয়ও কমে গেছে। ভ্রাম্যমাণ দোকানি আবদুর রাজ্জাক বলেন, সিএনজি ও অটোরিকশা না থাকলে আমাদের বেচাকেনা কমে যায়। তাদের পার্কিংয়ের নির্দিষ্ট জায়গা নেই, আমাদেরও কোনো নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু এই আয়ের ওপরই আমার পরিবারের জীবন চলে এই বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া দরকার। এ বিষয়ে দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন লিটন বলেন, অটোরিকশা ও সিএনজির পার্কিং বিষয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হলেও রাতে অনেক চালক তা মানছেন না। এলোমেলো পার্কিংয়ের কারণে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দাগনভূঞা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও শহরের যানবাহন ব্যবস্থাপনা ও সড়ক শৃঙ্খলায় এখনও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com