’বদলে যাও বদলে দাও’ এ স্লোগান নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও মাদক মুক্ত লক্ষীপুর শহর গড়তে এবং পৌর বাসীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও ছিদ্দিক উল্লাহ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী মোঃ আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া।
তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের ছিদ্দিক উল্যাহ ভূঁইয়া বাড়ির সাবেক কৃষি কর্মকর্তা মরহুম মোঃ ছিদ্দিক উল্লাহ ভূঁইয়ার মেজো সন্তান। দেশে পড়াশোনা শেষে লন্ডনের অ্যাংলিয়া রাস্কিন ইউনিভার্সিটি থেকে এশিয়া মহাদেশের ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে এম বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। ওয়ার্ক ফর হিউম্যানিটি ও ছিদ্দিক উল্লাহ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং লক্ষ্মীপুর সোসাইটি ইউকের প্রতিষ্ঠাতা, লক্ষ্মীপুর অক্সফোর্ড মডেল কলেজর বিদ্যোৎসাহী সদস্য এবং লক্ষ্মীপুর জালালিয়া মাদ্রাসার উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সুনামের সাথে পালন করে যাচ্ছেন।
গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জাতিসংঘের দাওয়াতে মানবাধিকার সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। আফতাব উদ্দীন ভূঁইয়া বলেন, লক্ষ্মীপুর শহরকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা কে আমরা যেভাবে গড়ে তুলতে চাই-১. আমরা লক্ষ্মীপুরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও মাদকমুক্ত এবং ন্যায় শাসন প্রতিষ্ঠা করবো ইনশাআল্লাহ ২. নারীরা লক্ষ্মীপুরে দিনে-রাতে যেন নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে সে ব্যবস্থা করব ইনশাআল্লাহ ৩. পৌরসভার পক্ষ থেকে মা ও শিশুদের জন্য প্রতিদিন ফ্রি চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকবে ৪. পৌরসভার প্রতিটি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ধর্মীয় গুরুদের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান করা হবে ৫. লক্ষ্মীপুর পৌর শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে ৬. লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে জনগণের প্লাস্টিক জাতীয় ময়লার বিনিময়ে টাকা পরিশোধ করা হবে ৭. শহরের উপর থেকে ময়লার ডাম্পিং শহরের বাইরে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে ৮. সপ্তাহে দুই দিন বাজারের প্রতিটি রাস্তা পানি ও জীবাণুমুক্ত মেডিসিন দিয়ে দ্রুত করা হবে ৯. পৌরসভার কোন রাস্তা কাঁচা অথবা ভাঙ্গাচুরা থাকবে না প্রতিটি রাস্তা পাকা করা হবে ১০. লক্ষ্মীপুর পৌর শহরে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ১১. যে সকল নাগরিক অস্বচ্ছল পানির লাইনের সুবিধা পাবে না তাদের জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে বিনা পয়সায় বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হবে ১২. লক্ষ্মীপুর পৌরসভার জলাবদ্ধতা দূরীকরণে প্রশস্ত ড্রেনের ব্যবস্থা করা হবে ১৩. পৌরসভার নাগরিকদের অতিরিক্ত ট্যাক্স কমানো হবে ১৪ পৌরসভার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করা হবে ১৫. এতিম ও অস্বচ্ছ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনা পয়সায় শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হবে ১৬. পৌরসভার সকল স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলার উপকরণ দেওয়া হবে ১৭. শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে পড়াশোনার ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে ১৮. পৌরসভার বিভিন্ন স্পটে শারীরিক ব্যায়ামের জন্য বিভিন্ন ব্যায়াম উপকরণ স্থাপন করা হবে, এবং শিশুদের জন্য প্রতিটি এলাকায় মিনি শিশু পার্ক স্থাপন করা হবে। ১৯. নারী ও পুরুষের জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে আলাদা আলাদা স্বাস্থ্যসম্মত পরিচ্ছন্ন টয়লেটের ব্যবস্থা করা হবে ২০. বাজার থেকে যেন ন্যায্য মূল্য পণ্য কিনতে পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে ২১. পৌরবাসীর সুবিধার্থে একটি লিল্লা কবরস্থানের ব্যবস্থা করা হবে ২২. লক্ষ্মীপুর শহরকে যানজট মুক্ত শহরে রূপান্তরিত করতে উন্নত দেশের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করা হবে ২৩. পৌরসভার বাৎসরিক হিসাব আয় ব্যয় জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে পৌরসভার বিলবোর্ডে প্রদর্শন করা হবে ২৪. বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিনামূল্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও আত্মকর্মসংস্থান তৈরীর জন্য লোনের ব্যবস্থা করা হবে ২৫. পৌরসভাকে একটি মডেল শহরে রূপান্তরিত করা হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন লক্ষীপুর শহর গড়তে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান সকলকে নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি, তিনি আরো বলেন মানুষের মধ্যে বৈষম্য থাকা ঠিক না, কারন আমরা সাদা কালো ধনি গরিব সকলে একই এক আল্লাহর সৃষ্টি সুতরাং আমাদের কে বৈসমম থেকে বের হতে হবে,
এইক্ষেত্রে আমি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।