সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন




বীমা শিল্পের নতুন অধ্যায় 

সৈয়দ সুলতান মাহমুদ:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১




বঙ্গবন্ধুর বীমা পেশায় যোগদানের দিনকে জাতীয় বীমা-দিবস ঘোষণা 

ভূমিকাঃ আজকের বাংলাদেশ উন্নয়ন সূচকের মাপকাঠিতে প্রতিবেশী অনেক দেশ, বিশেষতঃ ভারত ও পাকিস্তান থেকে অর্থনৈতিভাবে এগিয়ে আছে। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনেও বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র প্রবলভাবে ফুটে উঠেছে। এই উন্নয়নের ব্যাপ্তি শিল্প-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্নি খাতে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা স্পষ্টভাবে প্রায় সর্বত্র পরিলক্ষিত হলেও বীমা খাতে এখনও পর্যন্ত চোখে পড়ার মত তেমন কোন সফলতা নেই বললেই চলে। নানা কারনেই বীমা শিল্পটি এখনও অবহেলিত। এর মূলে রয়েছে এদেশের মানুষের অনভিজ্ঞতা এবং বীমা সম্পর্কে অসচেতনতা। বস্তুতঃ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বীমাকে এখনও আলোচনার বিষয় হিসেবে কারিকুলামে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগে মাধ্যমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহন করে, তাদের পাঠ্যপুস্তকে বীমা সম্পর্কে কোন আলোচনার বিষয় রাখা হয়না ফলে বীমা শব্দটির সাথে তারা পরিচিত হবার সুযোগই পায় না। শুধুমাত্র যারা কমার্স গ্রুপে লেখাপড়া করে, তারা বীমা সম্পর্কে সামান্য কিছু জানতে পারে। এসব কারনে দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন করলেও বীমা সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। ফলশ্রুতিতে উন্নত বিশ্বের তুলনায় এমনকি ভারত ও শ্রীলংকার তুলনায়ও বাংলাদেশের বীমা খাত অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

পৃথিবীর উন্নত দেশ সমূহে জিডিপি-তে বীমার অবদান উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাজ্যে এই অবদান শতকরা হারে ১১.৮%, ইউএসএ ৮.১%, জাপান ৮.১%, হংকং ১১.৪%, সিঙ্গাপুর ৭%, ভারত ৪.১%, ব্রাজিল ৩.২%, চীন ৩%। অথচ বাংলাদেশের জিডিপি-তে বীমার অবদান ০.২% মাত্র যা সামগ্রীকভাবেই লজ্জাজনক। ঐ সকল দেশে বীমার ঘনত্ব (প্রিমিয়াম পার ক্যাপিটা মার্কিন ডলারে) ইউকে ৪৫৩৫, ইউএসএ ৩৮৪৬, জাপান ৫১৬৯, হংকং ৩৯০৪, ব্রাজিল ৩৯৮, চীন ১৬৩, ভারত ৫৯, ডলার। পক্ষান্তরে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে মাত্র ৪ জনের জীবন বীমা রয়েছে। অর্থাৎ বেশীরভাগ বীমাযোগ্য জীবন ও সম্পদ বীমার আওতা বহির্ভূত থেকে যাচ্ছে। আশার কথা, ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর বীমা শিল্পের উন্নয়ন এবং এ শিল্পে গতিশীলতা আনায়নের লক্ষ্যে বিভিন্নমুখি পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। ২০২০ইং সালে ১লা মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জাতীয়ভাবে বীমা দিবস পালনের ঘোষনা বীমা শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এবং বীমা শিল্পে উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করেছে।

জাতীয় বীমা দিবস কি এবং কেন ? স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বাঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর রাজনৈতিক জীবনে রাজনীতির পাশাপাশি জীবিকার জন্য একটি সেবামূলক পেশা বেছে নিয়েছিলেন, তা হল বীমা পেশা। তিনি ১৯৬০ সালের ১মার্চ তৎকালীন আলফা ইনস্যুরেন্স এর বাংলাদেশ অঞ্চলের প্রধান হিসেবে যোগদান করেছিলেন। সে সময় রাষ্ট্রীয়ভাবে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকায় তিনি রাজনীতির চাকা সচল রাখার স্বার্থে বিচক্ষনতা ও দূরদর্শিতার সাথে বেছে নিয়েছিলেন বীমা পেশাকে। বীমা পেশার কার্যক্রম সংগঠন ভিত্তিক হওয়ার কারণে রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে এর সাদৃশ্য রয়েছে। তিনি বীমা কোম্পানীর কাজের পাশাপাশি জনগনের অধিকার আদায় ও তাদেরকে সংঘবদ্ধ করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। বিভিন্ন অঞ্চলে কোম্পানির কাজের জন্য ভ্রমন করে তিনি নিরবে নিভৃতে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে সংহত ও বেগবান করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়ার কারনে তিনি যে শুধু মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনই করে গেছেন তা নয়। সেবাধর্মী এই পেশার মাধ্যমে মানুষকে সঞ্চয়মুখী করার প্রয়াসে পুজি সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখার ব্যাপারে অগ্রনী ভুমিকাও তিনি পালন করেন।

নিজের দলীয় নেতা কর্র্মীদেরও তিনি এই বীমা পেশার সাথে সম্পৃক্ত করে কর্মসংস্থনের সুব্যবস্থা করেছিলেন। এছাড়াও তৎকালীন সময়কার বীমা ব্যক্তিত্ব খোদা বকশ, গোলাম মাওলা, গাজী গোলাম মোস্তফা, সামছুল আলম, নুরুল ইসলাম প্রমূখ ব্যক্তিবর্গসহ বীমা শিল্পের সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে ছিল তার গভীর সম্পর্ক। তাই জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর আহবানে বীমা শিল্পের কর্মকর্তা কর্মচারীরা সবার আগে ঝাপিয়ে পড়তেন। বীমাকে তিনি তার রাজনীতি ও আন্দোলন সংগ্রামের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। এতদঅঞ্চলের মানুষের প্রতি পাকিস্তানী শাসকদের বৈষম্যমূলক ও নিপিড়নমূলক আচরনের বিরুদ্ধে বাঙ্গালী জাতিকে তিনি ঐক্যবন্ধ রাখেন। অবশেষে বঙ্গবন্ধুর নেত্রীত্বে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।

স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধস্ত দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। ভঙ্গুর অর্থনীতি বুভুক্ষমানুষের হাহাকার এবং ক্ষত বিক্ষত বাংলাদেশ পুর্নগঠনের পাশাপাশি তিনি বীমা শিল্প পুনর্গঠনেও মনোযোগ দেন। তিনি বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স (জাতীয়করণ) আদেশ ১৯৭২ জারী করে ৪৯টি দেশী, বিদেশী বীমা কোম্পানীকে জাতীয়করনের মাধ্যমে সুরমা, রূপসা, তিস্তা এবং কর্নফুলী নামক ৪টি বীমা কর্পোরেশন গঠনসহ বীমা প্রতিষ্ঠানসমুহকে নিয়ন্ত্রন করার লক্ষ্যে জাতীয় বীমা কর্পোরেশনও গঠন করেন। এছাড়াও অল্প সময়ের মধ্যে বীমা শিল্পের উন্নয়নে ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ প্রনয়ন করেন। পরবর্তিতে ৪টি কর্পোরেশনকে ভেঙ্গে জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সাধারন বীমা কর্পোরেশন নামক ২টি পৃথক বীমা কর্পোরেশন গঠন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর পরই বীমাকে যুগপোযোগী করে ঢেলে সাজানোর জন্য পুরাতন বীমা আইন ১৯৩৮ পরিবর্তন করে বীমা আইন ২০১০ প্রবর্তন করেন। পাশাপাশি প্রনয়ন করা হয় বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০। পরবর্তিতে ২০১১ সালে বীমা খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বীমা অধিদপ্তর বিলুপ্ত করে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) প্রতিষ্ঠা করা হয়। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বীমা বিধি ও প্রবিধানমালা তৈরী করা হয় এবং বীমাকে বানিজ্য মন্ত্রনালয় থেকে বের করে অর্থমন্ত্রনালয়ে ন্যাস্ত করা হয়। এসব সংস্কারের ফলে বীমা শিল্পের গ্রহনযোগ্যতা এবং গুরুত্ব পূর্বের তুলনায় বহুগুন বৃদ্ধি পায়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত বীমা পেশা এবং ১মার্চ ১৯৬০ সালে বঙ্গবন্ধুর বীমা পেশায় যোগদানের তারিখ-কে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ করে রাখার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বীমা শিল্পকে এক অনন্য উচ্চতার অধিষ্ঠিত করেছেন। ১লা মার্চ ২০২০ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনা ১লা মার্চকে জাতীয়-বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন এবং বীমা দিবসের উদ্বোধন করেন। তিনি প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ডিসি ও টিএনওদের নেতৃত্বে দেশব্যাপী জাকজমকপূর্নভাবে বীমা দিবস পালনের নির্দেশ দেন। ঘোষিত হয় ১লা মার্চ জাতীয় বীমা দিবস।

জাতীয় বীমা দিবসে বীমা শিল্পের অর্জন : ১৫ জানুয়ারী ২০২০ইং মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ কর্তৃক জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর বীমা স্মৃতি বিজড়িত ১লা মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে “খ” ক্যাটাগরিতে পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সে প্রেক্ষিতে ১লা মার্চ কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় বীমা দিবস পালন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগনের নেত্রীত্বে প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও থানায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাকজমকপূর্নভাবে বীমা দিবস পালন করা হয় যা বীমা শিল্পে এ যাবৎ কালের সবচেয়ে বড় অর্জন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে কোন সরকারই বীমা শিল্পকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখেননি এবং বীমাকে এত গুরুত্বও দেয়া হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বীমা দিবসের অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে যে গাম্ভীর্যপূর্ন বক্তব্য প্রদান করেছেন, ইতিপূর্বে বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধানকেই বীমা শিল্পকে এভাবে গুরুত্ব দিয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করতে দেখা যায়নি।

বীমা পেশাটি অবহেলিত থাকার কারণে, অনেকেই বীমাকে পেশা হিসেবে গ্রহণে অনিহা প্রকাশ করে আসছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এক্ষেত্রে বীমা পেশাজীবীদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে বলেছেন, “জাতির পিতা বীমা পেশায় চাকুরী করেছেন, আমি অবসরে যাওয়ার পরে আমার জন্য বীমাতে যেন একটি চাকুরী থাকে,” মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যটিও বীমা শিল্পের জন্য একটি অলংকার ও বড় অর্জন। এ ছাড়াও ১ম জাতীয় বীমা দিবসে প্রধানমন্ত্রী স্কুল পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা চালুর ঘোষনা দেন। ইতিপূর্বে প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষার জন্য প্রবাসী বীমা চালু করা হয়েছে। এ দশের জনসাধারনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সার্বজনীন স্বাস্থ্যবীমা, সার্বজনীন পেনশনবীমা, কৃষি/ফসলী বীমা প্রচলনের উদ্যোগ ইতোমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় বীমা দিবস পালন করার মধ্য দিয়ে দেশের সকল শ্রেনীর মানুষ বীমা সম্পর্কে জানতে পেরেছে, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বীমা বিষয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং সকল শ্রেনী পেশার মানুষের মধ্যে বীমা বিষয়ে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। বীমা শিল্পের ভাল মন্দ বিচার বিশ্লেষনের সুযোগ সুষ্টি হয়েছে। যেহেতু বীমা আইন এবং প্রবিধানমালা নতুনভাবে প্রনীত হয়েছে। নিঃসন্দেহে এতে কিছু কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হবে এবং সংশোধন ও সংযোজনের মধ্য দিয়ে এ শিল্পের কার্যক্রমে অধিকতর স্বচ্ছতা ফিরে আসবে। আশা করা যায় অদূর ভবিষ্যতে বীমা মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক সুরক্ষার প্রধান আশ্রয়স্থল হিসেবে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

উপসংহার : উপসংহারে বলা যায়, ১মার্চ ২০২০ইং প্রথম জাতীয় বীমা দিবস বীমা শিল্পকে নতুন সাজে নতুন মোড়কে বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। এমতাবস্থায় আমরা যারা বীমা পেশায় কর্মরত রয়েছি, আমাদের উচিত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতাকে কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত এই শিল্পটিকে জাতীয় অর্থনৈতিক কাঠামোকে সংহত করার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। নিজেদের মেধা ও মননশিলতা পুরোপরি নিয়োজিত করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে গ্রাহক সেবা প্রদানের মধ্য দিয়ে বীমা শিল্পের ইমেজ সংকট দূর করা। এ দেশের ঘরে ঘরে বীমা সেবা পৌছে দেয়া। এজন্য জাতীয় বীমা দিবসের অনুষ্ঠানসমূহের ছবি, ভিডিও ক্লিপ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ফুটেজসমূহ সংগ্রহ করে সংরক্ষন করা, নিজেদের অফিস সমুহে প্রদর্শন করা ও সাধারন মানুষের মধ্যে তা তুলে ধরা। যদি আমরা তা করতে পারি তাহলে প্রত্যেক বীমা কর্মীর নিজ পেশার প্রতি মমত্ববোধ দৃঢ়তর হবে, একজন নিষ্ঠাবান পেশাজীবি হিসেবে ঐ কর্মী-কর্মকর্তা সফলতার স্বর্ন শিখরে পৌছে যাবে এবং বীমা শিল্প এক অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত হবে। আমরা বীমা পেশা ও বীমা শিল্পনিয়ে গর্ববোধ করতে পারবো ইনশা আল্লাহ্। লেখক: উর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড

ক্যাপশন: লেখক




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com