বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

এক নার্সের মর্মান্তিক পরিণতি

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শনিবার, ১ মে, ২০২১

দেশের মানুষ করোনায় আক্রান্ত। মহামারীর মধ্যে এতগুলি মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে লড়তে নিজের জীবন বিসর্জন দিলেন এক নার্স। বছর ছাব্বিশের ওই নার্স তৃশা রবার্ট একটি নোটে জানিয়ে গেছেন, ‘দুঃখ করবেন না, আমি এখন ভালোই আছি।’ তৃশা কোভিড পরিস্থিতিতে তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন রোগীদের সেবার কাজে। মৃত্যু পথযাত্রীদের পাশে শেষ দিন পর্যন্ত ছিলেন তিনি। একটানা কাজ করে যাবার জন্য ক্রমে তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। দেখা দেয় কোমরের সমস্যা, শুরু হয় যন্ত্রণা। মৃত্যুর ঠিক দু সপ্তাহ আগে হাসপাতালে ভর্তি হন তৃশা। ততক্ষনে অবশ্য ডাক্তারদের বিশেষ কিছু করার ছিল না, তৃশার মেরুদণ্ডের সমস্যা হাতের বাইরে চলে গিয়েছিলো।
এমনকি শোনা গেছে, দীর্ঘদিনের সঙ্গী পল জোনসের সঙ্গে বিয়েও ঠিক হয়ে গিয়েছিলো এই হতভাগ্য নার্সের, কিন্তু মহামারীর কারণে হাসপাতালে কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় তিনি বার বার তা স্থগিত করে দেন। স্বাস্থ্যকর্মী পল জানাচ্ছেন, ‘তৃশার মেরুদ-ের ব্যাথা তাঁর মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে উঠছিলো ধীরে ধীরে। যতবার বিয়ের দিন ঠিক করছিলাম ও ক্যানসেল করে দিচ্ছিলো। কারণ নিজের স্বাস্থ্যের জন্য ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব চিন্তিত ছিল তৃশা’। নিজের শেষ নোটে তাই সে সবরকম যন্ত্রণা থেকে মুক্তির কথা লিখে গেছে। তৃশার জন্ম ওয়েলসের ব্যাঙ্গরে এবং নিকটবর্তী ইয়াসবিটি গ্যুইনেড হাসপাতালে কাজ করতেন। পরে তিনি ওলভারহ্যাম্পটনের নিউ ক্রস হাসপাতালে ট্রমা এবং অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে কাজ পেয়েছিলেন।
তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পলের বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকা শুরু করেন। যে ব্যাগটি নিয়ে তিনি হাসপাতালে যেতেন তাতে প্রেসক্রিপশন, মরফিন ট্যাবলেট এবং তরল মরফিনের খালি প্যাকেট পাওয়া গেছে। যার অর্থ মেরুদণ্ডের যন্ত্রণা তাঁর সহ্য সীমার বাইরে চলে গিয়েছিলো। মৃত্যুর পর তাঁর রক্তের যে রিপোর্ট এসেছে তাতে দেখা গেছে অত্যধিক মরফিন সেবনের কারণেই তৃশার জীবনে যবনিকা নেমে আসে। এরকম প্রাণোচ্ছল, হাসিখুশি নার্সের মর্মান্তিক পরিণতির পর তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন তাঁর হাসপাতালের ডাক্তার থেকে নার্স সকল কর্মীরা।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com