বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
রামগতির মেঘনায় ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, জেলেদের মুখে হাসি গঙ্গাচড়ায় বিলীন হওয়ার পথে শিমুল গাছ কঠোর লকডাউনের মধ্যেও বরিশালের লাহারহাটে প্রশাসনের চোখের সামনেই চলছে অবৈধ স্পিডবোট মৌলভীবাজারে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ আরও ২২৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের রেকর্ড ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’ ট্রেন থেকে ভারতীয় তরল মেডিকেল অক্সিজেন খালাস করে সড়ক পথে নেয়া হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্টে ফেনী সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে করোনা ভ্যাকসিন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন ‘জয়যুগান্তর পত্রিকার অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান অনুকরণীয়’ যুবলীগ নেতা বক্করের উদ্যোগে আলাউদ্দিন নাসিমের সুস্থতা কামনায় সালাতুন নারিয়া খতম দুর্গাপুরে কমরেড মণি সিংহের ১২০তম জন্মজয়ন্তী পালিত কমলনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত, ৫২ পদের মধ্যে ৩০ টি শূন্য




এটা একটা রাজনৈতিক সরকার : তোফায়েল আহমেদ

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১




করোনাভাইরাসে জেলাওয়ারি স্বাস্থ্যসেবা ও সরকারি কার্যক্রম সমন্বয় করতে সচিবদের দায়িত্ব দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের প্রবীণ সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ। এতে রাজনীতিবিদের কর্তৃত্ব ম্লান হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। অবশ্য দায়িত্ব দেওয়া হলেও সচিবদের অনেকেই সংশ্লিষ্ট জেলায় যাননি বলেও তোফায়েল আহমেদ উল্লেখ করেন। গত সোমবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবকিছু দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন। যারা জাতীয় সংসদ সদস্য এখানে উপস্থিত, এমন একজনও নাই যিনি নিজস্ব অর্থায়নে বা যেকোনোভাবে গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াননি। সবাই দাঁড়িয়েছে, আমরাও দাঁড়িয়েছি।
তিনি বলেন, এখন আমাদের জেলায় জেলায় দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক কর্মকর্তা। মানুষ মনে করে আমরা যা দেই এগুলো দেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। অথচ প্রশাসনিক কর্মকর্তা কিন্তু দেননি। অনেকেই যায়নি। আমার নিজের জেলা ভোলায় যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিনি এখন পর্যন্ত যাননি। এটা কিন্তু ঠিক না! এটা একটা রাজনৈতিক সরকার। রাজনীতিবিদদের যে একটা কর্তৃত্ব বা কাজ সেটা কিন্তু ম্লান হয়ে যায়।
সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল বলেন, আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছেন ফেরাউনের সময়েও আমলা ছিল। তিনিও একজন আমলা ছিলেন। আমরা যেসব কথাবার্তা বলি মানুষ এসব পছন্দ করে না। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম)-এ এমপিরা সচিবদের ওপরে। বিষয়টি খেয়াল করতে হবে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা থাকবে। বিএনপির বন্ধুরা আছেন, দুঃখ পাবেন না। জাতির পিতার হত্যার পরে জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, আমি রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি কঠিন করে দেবো। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সেটি করেছিলেন। এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সরকার। যারা নির্বাচিত প্রতিনিধি তাদের জন্য নির্ধারিত স্থান যেখানে আছে সেখানে থাকা উচিত। আমাদের জেলায় একজন সচিব যাবেন। তাকে গ্রহণ করবো, বরণ করে নেবো এটা ঠিক আছে। কিন্তু যারা একদিনের জন্যও যায় না, তারা দায়িত্বপ্রাপ্ত। আর আমাদের মতো লোক আমরা.. তারা যাবে ফোন করবে তারপর ইত্যাদি.. এগুলো আমি বললাম না।
নিজের মন্ত্রিত্বকালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরাও মন্ত্রী ছিলাম। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরে আমি শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলাম। আমারও দায়িত্ব ছিল একটি জেলায়। তখন মন্ত্রীরা জেলার দায়িত্ব পালন করতো। একটি জেলায় মন্ত্রীরা গেলে নেতাকর্মীরা আসতো। তাদের সঙ্গে কথাবার্তা হতো। আমরা গ্রামে-ইউনিয়নে সব জায়গায় যেতাম। কোথায় যেন সেই দিনগুলো হারিয়ে গেছে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com