মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বেতকা চৌরাস্তায় একটু বৃষ্টি হলেই জলাশয়ে পরিনত হয় বন্যা। এছাড়া রাস্তার একপাশে মার্কেটের পানি নিসকাশনের কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। মার্কেটের পানি অপর পাশের দোকানের পানি সব রাস্তায় এসে জমা হয়। ড্রেনেজ ব্রবস্থা না থাকায় এই রাস্তায় পানি জমে থাকে। এছারাও রাস্তা দখল করে স্থাণীয় দোকানদাররা চৌকি বসিয়ে বিভিন্ন ব্যাবসা করায় ওইস্থানে সব সময় যানযট লেখেই থাকে এমন কি এক বৃষ্টির পানি শুকাতেই আরেক বৃষ্টির পানিতে কৃতিম বন্যার দেখা মিলে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,টঙ্গীবাড়ি থেকে বালুচর হয়ে ঢাকা যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বেতকা হতে বালুচর পর্যন্ত খানাখন্দে ভড়া। খানখন্দগুলো বেতকা চৌরস্তায় গভির আকার ধারণ করায় একটু বৃষ্টি এলেই জলাশয়ে পরিনত হয়ে। বর্তমানে লকডাউন থাকায় উপজেলার এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়ে টঙ্গীবাড়ি উপজেলাসহ পাশের শরিয়তপুর জেলা ও মুন্সীগঞ্জ সদর এবং সিরাজদিখান উপজেলার লোকজন যাতায়াত করে থাকে। ব্যাস্ততম সড়কটির এই বেহাল দশার কারনে চরম ভোগান্তিতে পরেছে কয়েকটি উপজেলার জনগণ। এ ব্যাপারে ওই পথে যাতায়াতকারীরা জানান,প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। রাস্তটিতে খানাখন্দে ভরা। এজন্য প্রতিদিন যাতায়াত করতে যেমন অতিরিক্ত সময় লাগছে অন্যদিকে মাঝে মধ্যেই ছোট খাট দূর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে অনেকেরই। অটো চালক বাবু মিয়া জানান, বেতকা চৌরাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই আমাদের গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া যাত্রীদের শরীরে পানিতে ভিজে যাওয়ার প্রায় বকাঝকা শুনতে হচ্ছে।
রাস্তার পাশে চৌকি থাকায় ঠিকমতো গাড়িগুলো চৌরাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেতে না পারায় দীর্ঘ সময় ওই স্থানে যানযটে পরে থাকতে হয়। এছারাও এলাকাবাসী জানায় বালুরচ হতে প্রতিদিন ইটের ট্রাক ও মাহিন্দ্রা যাতায়াত করায় এ রাস্তাটি আরো বেশী গর্তের সৃষ্টি হয় থাকে। এই বিষয় বেতকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলম সিকদার বাচ্চু বলেন এই সড়কটি টঙ্গীবাড়ী সোনারং হতে বেতকা আড়ৎ পট্টি পর্যন্ত ছয় কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়েছে, এখন ট্রেন্ডারের কাজ বাকী আছে। এই বিষয়টি আমি উপর মহল্ওে তাগিদ দিচ্ছি, খুব সহসায়ই সড়ক সংস্কারের কাজটি করতে পারবো বলে প্রতিনিধিকে জানান বেতকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলম সিকদার বাচ্চু।