শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

খাঁচায় থাকবে না চিড়িয়াখানার প্রাণী

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১

খাঁচাবন্দি থাকবে না জাতীয় চিড়িয়াখানার কোনও প্রাণী। প্রকৃতির আবহে বিশেষ বেষ্টনির মধ্যে ‘খোলা’ পরিবেশেই বিচরণ করবে ওরা। দর্শনার্থীদের আধুনিক ও বিশ্বমানের চিড়িয়াখানা উপহার দিতে মাস্টারপ্ল্যান করে সেটা বাস্তবায়ন করবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। পরিকল্পনা প্রণয়ন শেষে প্রাণীদের ধরনের ভিত্তিতে আলাদা জোন করে তা বাস্তবায়নে সময় লাগতে পারে ১০-১৫ বছর।
জানা গেছে, চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও বিশ্বমানের করতে সিঙ্গাপুরের একটি কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারাই মাস্টারপ্ল্যান করছে। এরপর ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। অবশ্য করোনা মহামারির কারণে গতি কমেছে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্ন দেশে চিড়িয়াখানা দেখতে যান। আমরা চাচ্ছি, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের মতো করে আমাদের জাতীয় চিড়িয়াখানাকে বিশ্বমানের করে তুলতে। তখন অন্যদেশ থেকেও মানুষ আমাদের চিড়িয়াখানা দেখতে আসবে। এজন্য মাস্টারপ্ল্যান দরকার। পরামর্শক নিয়োগ করা হয়েছে, তারা কাজ করছেন। জানা গেছে, পশু-পাখিদের ধরনের ভিত্তিতে চিড়িয়াখানাকে পাঁচটি জোনে ভাগ করা হবে। একই জাতীয় প্রাণীগুলো এক জোনে রাখা হবে। মাছের জন্য একটি অ্যাকুরিয়াম করা হবে, দেশ-বিদেশের মাছের প্রর্দশনী হবে। চিড়িয়াখানায় পশুপাখিদের জন্য হাসপাতালের আকার বাড়ানোসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হবে। এ ছাড়া, প্রাণীদের বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া, পানি শোধন করতে ব্যবহার করা হবে আধুনিক যন্ত্রপাতি।
মাস্টারপ্ল্যান প্রসঙ্গে জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. আব্দুল লতিফ বলেন, প্রথমে দরকার পরিকল্পনা। আমরা কীভাবে, কী করবো। মাস্টারপ্ল্যানে সব উঠে আসবে। চিড়িয়াখানা আধুনিক হবে কীভাবে সেটাও থাকবে। দেশে ১৯৬৪ সালে হাইকোর্ট প্রাঙ্গনে প্রথম চিড়িয়াখানা হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে মিরপুরে ২১৩ দশমিক ৪১ একর জায়গায় চিড়িয়াখানা স্থানান্তর হয়। যদিও পরে বন্যা নিয়ন্ত্রণে বাঁধের জন্য ৬ দশমিক ৬৫ একর, কেন্দ্রীয় মুরগির খামারের জন্য ২০ দশমিক ১৩ একর জায়গা ছেড়ে দেয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এখন ১৮৬ দশমিক ৬৩ একর জায়গায় রয়েছে চিড়িয়াখানাটি।
সাফারি পার্কের আদলে চিড়িয়াখানা রূপান্তরের পরিকল্পনা উল্লেখ করে ডা. আব্দুল লতিফ বলেন, আমরা আর পশু-পাখিদের খাঁচার ছোট জায়গায় আটকে রাখবো না। সাফারি পার্কের আদলে খোলা জায়গায় রাখা হবে। এমনভাবে বেষ্টনি দেওয়া হবে যাতে পশুপাখিরা মনে না করে তারা বন্দি আছে। কোথাও প্রয়োজনে বিদ্যুতায়িত নেট থাকবে। তবে এসব কোনও কিছুই দৃশ্যমান থাকবে না।
নিশাচর প্রাণিদের দেখার জন্য রাতেও খোলা থাকবে চিড়িয়াখানা। দর্শনার্থীদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। বয়স্ক ও শিশুদের জন্য ট্রাভেল কার্ট থাকবে। বিভিন্ন জোনে থাকবে রেস্তোরাঁ।
পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন বলে জানালেন চিড়িয়াখানার পরিচালক। তিনি বলেন, প্রাণীগুলোকে অন্য কোথাও স্থানান্তর সম্ভব নয়। একটা জোন প্রস্তুত হলে প্রাণীদের সেখানে সরিয়ে নিয়ে আরেক জোনের কাজ করতে হবে। সার্বিক কাজ শেষ করতে ১৫ বছরও লেগে যেতে পারে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com