ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকার কান্ডারী থাকা সত্বেও চলতি মাসের ১১ তারিখের নির্বাচন নিয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে ভোটারদের মধ্যে। বিগত সময়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ কে এম আউয়ালের একক সিদ্বান্তে শ্রীরামকাঠীবাসী ছিল জিম্মি। আর সেই কারণে এবারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন কঠিন থেকে কঠিনতর হবে বলে বিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন। গত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ছিল এক ধরনের ক্ষমতার অপব্যবহার। আবার তার আগের টার্মের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ছিল পেশী শক্তির। সেই সময়ে বর্তমান চেয়ারম্যান প্রার্থী কোন রকম প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছিল না। কিন্তু সাধারণ ভোটাররা প্রতিবাদ না করতে পারলেও ভালো কিংবা মন্দের বিচার বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়েছে বর্তমান সময়ের নির্বাচন নিয়ে। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চায় সাধারণ ভোটাররা। কঠিন দুঃসময়ের কথা চিন্তা ভাবনা করে ভোটারদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করে মাঠে নেমেছে যোগ্য প্রার্থী নিয়ে। এদিকে শ্রীরামকাঠীর জনপ্রিয় নেতা ও মানুষ গড়ার কারিগর মাস্টার মোতাহার নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছে সুকৌশলে। এলাকার সাধারণ ভোটারদের একটাই শ্লোগান হবে, “ শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে জ্বলো”। স্থানীয় রাজনীতির মেরুকরণের হিসাব নিকাশ আচ করেই এবারের নির্বাচনে আটঘাট বেধে নেমেছে প্রার্থী সহ সন্মানিত ভোটাররা। বিগত সময়ের আলোচিত ও সমালোচিত ঘটনার সাক্ষী এলাকার বহু প্রবীণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা। আর সেই আলোকে শ্রীরামকাঠীর সাধারণ ভোটাররা শিক্ষিত মানুষের কাতারে একত্রিত হচ্ছে নির্বাচনকে সামনে রেখে।বিগত সময়ের কঠিন অভিজ্ঞতাকে সাথে নিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাস্টার মোঃ মোতাহার হোসেনকে নিয়ে। বর্তমান সময়ে একজন চমৎকার মানুষ বলার পাশাপাশি একজন আদর্শবান মানুষ গড়ার কারিগরও বলা যায়। আর হ্যা আমরাও বলছিলাম সুপ্রিয় পাঠকদের জন্য সময়ের আলোচিত ও মেধাবী শিক্ষক মোঃ মোতাহার স্যারকে নিয়ে। বিগত সময়ে নাজিরপুরের মধ্যে ছাত্র ছাত্রী সহ স্থানীয় একজন ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে দারুণ সুনাম অর্জন করে ছিল। এদিকে শ্রীরামকাঠীর সাধারণ ভোটাররা গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমরা স্ব স্ব দলের প্রতিককে সন্মান করি। কিন্তু দলের হাই কমান্ড স্ব স্ব ওয়ার্ডের মধ্যে যাছাই বাছাই না করে দলীয় প্রতিক দেয়। আসলে যোগ্য প্রার্থীকে অনেক সময় প্রতিক না দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীকে প্রতিক দেয় বলে জানান। আর সেই কারণে বেশির ভাগ ভোটাররা মনে মনে অপছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে বরং নিজস্ব চয়েজের প্রার্থীকে সাপোর্ট দেয়। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এবারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে শ্রীরামকাঠীর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকার কান্ডারীর বিপক্ষে বহু প্রার্থী রয়েছে। এ ব্যাপারে এলাকার সুশীল সমাজের বেশীরভাগ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের ইউনিয়নে নৌকার প্রতিকের বিরুদ্ধে নয় বরং প্রার্থীর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন সুকৌশলে। গত কয়েক বছর থেকে স্থানীয় ইউনিয়ন বাসীরা দারুণ নিরবতা পালন করেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ ভোটাররা সহ বহু শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়ার জন্য মাঠে রয়েছে। আর সেই আলোকে যোগ্য প্রার্থীর মধ্যে অন্যতম চেয়ারম্যান প্রার্থী মাস্টার মোঃ মোতাহার হোসেন। দলমত নির্বিশেষে সকল ভোটারদের আর্শীবাদ নিয়ে মাঠে রয়েছে আপন মহিমায়। এ ব্যাপারে কথা হয় বর্তমান সময়ে আলোচিত ও মেধাবী শিক্ষক মোঃ মোতাহার স্যারের সাথে। তিনি গণ মাধ্যম কর্মীদের সাথে অকপটে বলেন, আমি মানুষের কল্যানে নিজেকে উজাড় করে দিতে চাই। আমি সুন্দর ধরণীর বুকে একদিন থাকবো না। কিন্তু আমার কাজ কর্ম নিয়ে মানুষ আলোচনা করবে। আমি বরাবরই মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে নিজেকে ফুটিয়ে তুলতে চাই সকলের আর্শীবাদ নিয়ে। আমি সাধারণ মানুষের ভালবাসা পেয়ে আবারও ইউনিয়ন পরিষদের ভোটাররা আমাকে নিয়ে মাঠে রয়েছে। আমি সকল ভোটারদের সন্মান করি এবং দল মত নির্বিশেষে সকল ভোটারদের আর্শীবাদ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের মসনদে বসতে চাই। মহান আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখে বলবো, ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে। আর সেই আলোকে সৃষ্টি কর্তা সহায় হোক সকলের জন্য।