কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়ন নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠ হলে আবারও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হব, ফারুক হোসেন সরকার বলেন। বাসীর সুখে-দুঃখে ও বিপদ-আপদে তাঁদের পাশে থাকতে চান বলে জানিয়েছেন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মো.ফারুক মিয়া সরকার। জানা যায়, তিতাস উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে সর্ববৃৎ ইউনিয়ন হলো ৯ নং মজিদপুর ইউনিয়নটি।এই ইউনিয়নের ইতিহাসের শিকড় অনেক গভীরে। যা লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। মজিদপুর ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের কৃতিসন্তান হলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি জনাব মো.তোফাজ্জল হোসেন।যিনি সাহসিকতার সহিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরসহ পরিবারের হত্যাকান্ডে জড়িত অপরাধীদের ফাঁসির রায় প্রদান করে ছিলেন।সে রায়ে জাতি অনেকটা কলঙ্ক মুক্ত হয়েছে।এছাড়াও রয়েছে মজিদপুর জমিদার বাড়ি ও চাঁননাগের চর জমিদার বাড়ির ইতিহাস।অসংখ্য জ্ঞানী-গুণী ও ধনাঢ্য ব্যক্তি রয়েছে এই মজিদপুর ইউনিয়নে।বর্তমানে মজিদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছে মো.ফারুক মিয়া সরকার।আসন্ন মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চশমা প্রতিকে চেয়ারম্যান পদে পুনরায় প্রার্থী হয়েছেন মরহুম আনু মিয়া সরকার চেয়ারম্যানের সুযোগ্য উত্তর সূরি ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো.ফারুক মিয়া সরকার। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.ফরুক মিয়া সরকার বলেন,মজিদপুর ইউনিয়নবাসীকে ঘুষ, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদক, বিচার বানিজ্য, লুটপাট ও ক্যাডার বাহিনী মুক্ত একটি আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছি।দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।ফারুক মিয়া সরকার আরও বলেন, আমার পিতা মরহুম আনু মিয়া সরকার সফলতা ও দক্ষতার সহিত বৃহত্তর দাউদকান্দি ও বর্তমান তিতাস উপজেলার সর্ববৃৎ মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদে চৌত্রিশ বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। আমার মরহুম পিতা আনু মিয়া সরকারের আদর্শে আমিও সফলতার সহিত মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদে দুই মেয়াদে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি এবং বিগত-২০১৬ ইং সালের ২৮ মে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি কারাগারে থেকে মজিদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে জনগণ আমাকে ভালোবাসে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। মজিদপুর ইউনিয়নের এক মুরব্বী বলেন,আমাদের মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.ফারুক মিয়া সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধার্থে তিনিই প্রথম যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। তিনি আরও বলেন,কতোটুকু জনপ্রিয় হলে কারাগার থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করতে পারেন এটা আপনাই ভালো বুঝেন।এছাড়া এলাকার রাস্তা,ঘাট, মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, মাতৃকালীন ভাতা ও প্রতিবন্ধীভাতা দেয়াসহ সামাজিক উন্নয়ন মূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে অবদান রাখায় ব্যাপক স্ব-নাম কুড়িয়েছেন তিনি।মজিদপুর ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা বলেন, প্রাণঘাতি মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংকটকালীন সময়ে জন সাধারণের সচেতনায় মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ ও ইউনিয়নের কর্মহীন সাধারণ দিনমুজুর ও অসহায় পরিবার গুলোর মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও আর্থিক সহাস্য-সহায়তা দিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে উদারতা মানুষিকতার পরিচয় দিয়েছেন মো.ফারুক মিয়া সরকার।তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বদাই অগ্রনী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।ওই নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের জনগণ মো.ফারুক মিয়া সরকার-কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।জনগণের এ আবদার রক্ষার্থে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চশমা প্রতিকে চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী জনাব মো. ফারুক মিয়া সরকার।
তিনি বলেন, চেয়ারম্যান হিসেবে নয়, একজন সেবক হিসেবে জনগণের সেবা মূলক কাজ করে যাচ্ছি।তাই মজিদপুর ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে ও বিপদ-আপদে তাঁদের পাশে থাকতে চাই। তিনি মজিদপুর ইউয়নিয়নবাসীর দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করছেন। তিনি দুঃখ করে বলেন- আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন ধরনের সড়যন্ত্র করছে। আল্লাহ যদি সহায় থাকেন কোন ষড়যন্ত্রই দাবাই রাখতে পারবে না।এবার হলে তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হব।