শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও সুচিকিৎসার দাবি মুক্তা বানুর তাজরিন ফ্যাশন ট্রাজেডির ৯ বছর

সাব্বির হোসেন সাভার :
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২১

তাজরিন ফ্যাশনের মেশিন অপারেটর ছিলেন মুক্তা বানু(৪০)। ২০১২ সালে এ পোশাক কারখানায় অগ্নিকান্ডের সময় তিনি ৪ তলায় কাজ করছিলেন। হঠাৎ চারপাশে দাউদাউ করে জ্বলে উঠে আগুন। আগুনের লেলিহান শিখায় আহত হন মুক্তা বানু। যেন মৃত্যু নিশ্চিত। এমন সময় পাশের জানালা ভেঙ্গে একটি বাঁশ বেয়ে নিচে নেমে আসছিল শ্রমিকেরা। মুক্তা বানুও এভাবে বাঁশ বেয়ে বেঁচে যান ভয়াবহ অগ্নিকান্ড থেকে। কিন্তু, এরই মধ্যে নিভে যায় শতাধিক প্রাণ। এভাবেই সেদিনের তাজরিন ফ্যাশনের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের বর্ণনা করলেন মুক্তা বানু। তিনি আরো জানালেন, বিগত ৯ বছরে সুচিকিৎসার জন্যও কোন সহায়তা পাননি তিনি। অতি কষ্টে অসুস্থ শরীর নিয়ে দিনাতিপাত করছেন মুক্তার মত শত শত অসুস্থ শ্রমিকেরা। যাদের দেখার কেউ নেই। ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার নিশ্চিন্তপুরে তাজরিন ফ্যাশনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রাণ যায় ১১৭ জন পোশাক শ্রমিকের। আহত হন প্রায় ২’শ জনেরও অধিক শ্রমিক। ঘটনার ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও নিহত শ্রমিকদের ক্ষতিপুরণ, আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যাপারে কোন প্রতিকার হয়নি বলে দাবি শ্রমিকদের। এ দিনটিতে নিহতদের স্মরণে বুধবার সকালে নিশ্চিন্তপুরের তাজরিন ফ্যাশনের সামনে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এ সময় তাজরিন ফ্যাশনের অগ্নিকান্ডে নিহতদের পরিবার ও আহত শ্রমিকদের সমবেত হতে দেখা যায়। এ সময় অনেকে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও নিহত শ্রমিকদের স্বজনরা জানান, আজ অবধি অসুস্থ শ্রমিকদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি। তাজরিন ফ্যাশন ট্রাজেডির আহত শ্রমিকরা এখন বিনা উপার্জনে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের বাড়িতে থাকার কোনও পরিবেশ নেই। অনেকের পরিবারে অন্যকোনও উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই। অগ্নিকা-ের পর থেকে অসুস্থতায় অন্য কোনও কাজও করা সম্ভব হয় না। তাই অতি শিগগিরই আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে বলে তারা দাবি করেন। এ সময় তাজরিন ফ্যাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেনের ফাঁসির দাবিতে কাল পতাকা হাতে বিক্ষোভ করে উপস্থিত শ্রমিকেরা।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com