নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অন্তত ২৫ বছর প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছে, এমন ১১টি দৈনিক পত্রিকাকে সম্মাননা দিয়েছে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। সম্মাননা পাওয়া সংবাদপত্রগুলো হচ্ছে দৈনিক সংবাদ, ইত্তেফাক, আজাদী, পূর্বাঞ্চল, করতোয়া, পূর্বকোণ, ইনকিলাব, ভোরের কাগজ, জনকণ্ঠ, দ্য ডেইলি স্টার ও দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস।
নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। নোয়াবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক আজাদী সম্পাদক এমএ মালেক, দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, দৈনিক সংবাদের সম্পাদক আলতামাশ কবির, দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, দৈনিক ভোরের কাগজের পরিচালনা প্রতিষ্ঠান মিডিয়াসিনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক সুজাত, দৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. ম. রমিজউদ্দিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন নোয়াবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও দৈনিক বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ। অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন নোয়াব সহসভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদকম-লীর সভাপতি এএসএম শহীদুল্লাহ খান। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর বিক্রম ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, বাসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান এমপি, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীর, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, দৈনিক ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের নির্বাহী সম্পাদক আহমদ আলী খান, সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, শওকত মাহমুদ, মোল্লা জালাল, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কবি আসাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও এপেক্স ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান, চীনের উপরাষ্ট্রদূত হা লং, পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার কামার আব্বাস খোখার প্রমুখ। এছাড়া নোয়াব সদস্য, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, কবি-লেখক, রাষ্ট্রদূত, আইনজীবী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ২০২০ সাল জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ও ২০২১ সাল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী হওয়ায় এ দুটি বছর জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করতেন। নোয়াবের সদস্যরা স্বাধীনতার আগে ও পরে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চলাইটের খবর দেশে-বিদেশে প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছিল সংবাদপত্র। দৈনিক ইত্তেফাক ও সংবাদের অফিস পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। তাই বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে নোয়াবের পথচলার ইতিহাস সম্পর্কযুক্ত।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সংবাদপত্র জনগণের জন্য তথ্যভা-ার। সমাজ বিনির্মাণে সংবাদপত্রের ভূমিকা অপরিসীম। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও সত্য প্রকাশের মাধ্যমে জনসেবা নোয়াবের মূল লক্ষ্য। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। বিশ্বায়নের যুগে সমগ্র বিশ্বের আনাচে-কানাচের খবর গণমাধ্যম আমাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ও নৈতিকতাসম্পন্ন সাংবাদিকতা অপরিহার্য। কেননা মিথ্যা সংবাদ, ভুল তথ্য ও অপসাংবাদিকতা মানুষ তথা সমাজকে ভুল পথে প্রবাহিত করে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গণমাধ্যম কর্মী আইন গণমাধ্যম কর্মীদের বহুদিনের দাবি। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুই বছরের বেশি সময় ধরে সবার সঙ্গে পরামর্শ করে এ আইন তৈরি করা হয়। এখন এটি সংসদে গেছে। এখানেও গণমাধ্যমের সঙ্গে যারা যুক্ত প্রিন্ট ভার্সনের সাংবাদিকদের আমরা সুরক্ষা দিতে পারি ওয়েজ বোর্ডের মাধ্যমে। কিন্তু অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য কোনো আইন নেই। এ গণমাধ্যম আইনের মধ্যে সবাইকে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ আইনটি সংসদে উঠেছে, পার্লামেন্টারি কমিটির কাছে গেছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবর্তন-পরিমার্জন করেই গণমাধ্যমের সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট আছেন, তাদের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই এ আইন পাস হবে। এটি নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার বা ছড়ানোর সুযোগ নেই। তবে আমার নিবেদন হবে এ গণমাধ্যম কর্মী আইন পাস হওয়ার পর যেন এর মাধ্যমে মালিক পক্ষ আইন অনুযায়ী সব ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নবম ওয়েজ বোর্ডের মতো যেন না হয় এবং নবম ওয়েজ বোর্ডও সবাই আপনারা বাস্তবায়ন করেন, সেটিও আমার নিবেদন থাকবে।
তিনি বলেন, আমাদের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতারও যেমন প্রয়োজন রয়েছে, তেমনি দায়িত্বশীলতারও প্রয়োজন রয়েছে। আমরা নামসর্বস্ব ভৌতিক পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছি। এরই মধ্যে ১০০ পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করেছি। এ পত্রিকাগুলো বের হয় না, যেদিন বিজ্ঞাপন পায় সেদিন বের হয়, যেদিন ক্রোড়পত্র পায় সেদিন বের হয়।
সূচনা বক্তব্যে নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, আমাদের সংবাদপত্রের অতীত গৌরবের, ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের। বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে দেশের নাগরিকদের রাজনৈতিক চিন্তার বিকাশ, সামাজিক, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রয়োজনে সংবাদপত্র অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে। বর্তমান বৈরী বাজারে টিকে থাকতে আমরা বিভিন্ন সময় সরকারের কাছে অনেক যৌক্তিক দাবি করেছি এবং সহযোগিতাও পেয়েছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রসঙ্গ টেনে নোয়াব সভাপতি বলেন, সাম্প্রতিক সময় কিছু আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি আইনমন্ত্রীও বলেছেন, আইনটির বিভিন্ন অপব্যবহার হচ্ছে। অন্যদিকে অতিসম্প্রতি সংসদে উঠেছে ‘গণমাধ্যম কর্মী আইন’। এ আইনে যে বিভিন্ন ধারা রয়েছে, সেগুলো নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যেই আপত্তি রয়েছে। আমরা নোয়াবের পক্ষ থেকে মনে করি, এ রকম আইন চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, আমরা সাংবাদিকরা সরকারের সঙ্গে আরো সুসম্পর্ক চাই। এক্ষেত্রে সরকার আমাদের পেশার বিশেষত্বের দিকে নজর দেবেন, সে প্রত্যাশা করি। দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি ও সাফল্যে আমরা সাংবাদিকরাও অবদান রাখছি। তবে আমাদের কাজের ধারাটি একটু ভিন্ন। অনেকে হয়তো ভাবেন, আমরা শুধু নেতিবাচক বিষয়ই তুলে ধরি। কিন্তু আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, যেখানে ঘাটতি আছে, কমতি আছে সে বিষয়টি তুলে ধরার মাধ্যমে আমরা সরকারের উন্নয়ন কাজটির ফাঁক তুলে ধরি। এতে অগ্রগতি ও সাফল্য সঠিক ধারায় বয়ে চলে। বর্তমানে অনেক ধরনের আইন প্রণয়নের কারণে স্বাধীন সাংবাদিকতা ব্যাহত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের অনেক সময় ভুল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে যদি আমাদের জানানো হয় যে ওই সংবাদে ওই তথ্য সঠিক নয়, তাহলে আমরা যাচাই-বাছাই করে সেটি শুধরে নিতে পারি। সম্মাননাপ্রাপ্ত দৈনিক সংবাদের সম্পাদক ও নোয়াবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আলতামাশ কবির বলেন, আমরা ৪৫ বছর আগেই ২৫ বছর পার করেছি। দেরিতে হলেও সম্মাননা পাচ্ছি। কিছুদিনের জন্য আমরা ৭২ বছরে পা দেব। সংবাদ পরিবেশন করতে গেলে আমাদের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়। সাংবাদিকদের জীবনও দিতে হয়েছে। তথ্যমন্ত্রীকে বলছি, আইনের অবৈধ প্রয়োগ করে যেন আমাদের বাধা না দেয়া হয়।
ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন বলেন, এ বছর ইত্তেফাক ৭০ বছরে পদার্পণ করবে। আজ দেশে ৫০০টির মতো পত্রিকা বের হয়। কিন্তু ৭০ বছর আগের কথা চিন্তা করলেই বোঝা যাবে ইত্তেফাকসহ ওই সময়ের দৈনিকগুলোর ভূমিকা কী ছিল। এখন তথ্যপ্রযুক্তির সময় চলছে। সত্তরের দশকে ইত্তেফাকে যে অক্ষরগুলো ছাপা হতো, সেগুলো হাতে বানাতে হতো। এখন তড়িৎ গতিতে পুরো বিশ্ব থেকে খবর হাতে চলে আসে। বাংলাদেশের সৃষ্টির সঙ্গে বঙ্গবন্ধু, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মানিক মিয়া এ নামগুলো একে অন্যের সঙ্গে জড়িত। আজকের এ প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সংবাদপত্রকে টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। আজাদীর সম্পাদক এমএ মালেক বলেন, জাতীয় পত্রিকা হওয়ার জন্য যাত্রা করেনি আজাদী। আমাদের পথচলা শুরু হয়েছে চট্টগ্রামের মানুষের সুখ-দুঃখ তুলে ধরার জন্য। দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক বলেন, একটি কাগজ বের করা আগে অনেক কষ্ট ছিল। তবে কম্পিউটার আসার পর বিষয়টি সহজ হয়েছে। করতোয়া পত্রিকাটি ঢাকা ও বগুড়া থেকে প্রকাশিত হচ্ছে। আমরা দেশ ও মানুষের কথা তুলে ধরছি। উত্তরাঞ্চলে আমাদের পাঠকপ্রিয়তা সন্তোষজনক।
দৈনিক ভোরের কাগজের পরিচালনা প্রতিষ্ঠান মিডিয়াসিনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক সুজাত বলেন, বর্তমানে সংবাদপত্রকে সংবাদ সংগ্রহ, পত্রিকা ব্যবস্থাপনা, বিপণন, বিতরণ, ডিজিটাল রক্ষণাবেক্ষণ, কপিরাইট, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তিনির্ভর আন্তর্জাতিক নতুন মিডিয়ার প্লাটফর্মগুলোর অনিয়ন্ত্রিত আগ্রাসন এতকিছুর সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হচ্ছে। নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও অর্জিত জ্ঞান নিয়ে আমাদের টিকে থাকতে হয়। বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মীদের দক্ষতা আজ আন্তর্জাতিক মানের। সংবাদপত্রের সাংবাদিক, সংবাদ বিশ্লেষক, লেখক এবং সংবাদপত্র পরিচালনায় যুক্তদের সঙ্গে নিয়ে যুগোপযোগী একটি ইনক্লুসিভ জাতীয় তথ্য নীতিমালা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন বলেন, একটা সংবাদপত্রে খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে যেভাবে চেকিং-কাউন্টার চেকিং হয়, সেটা অনলাইন বা অন্য অনেক মিডিয়ায় সম্ভবপর হয় না। তাই আমি মনে করি খবরের কাগজের গুরুত্ব আছে, আগামীতেও থাকবে। দৈনিক পূর্বকোণের সম্পাদক ডা. ম রমিজউদ্দিন চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আনুগত্য অক্ষুণ্ন রেখে আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি চট্টগ্রাম তথা সারা দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও সুখ-দুঃখের কথা বলার। ২০২১ সালে মুজিব বর্ষে দৈনিক পূর্বকোণ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক দেশসেরা আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকার স্বীকৃতি লাভ করে। শুধু এটা না, পূর্বকোণের আরো অর্জন রয়েছে। এর আগে ২০০৪ সালেও এক জরিপে আমরা আঞ্চলিক সেরা পত্রিকার স্বীকৃতি পেয়েছি। পূর্বকোণ বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক পত্রিকা। প্রতি সপ্তাহে একটি করে ফিচার পেজ পূর্বকোণকে নতুন পরিচিতি দেয়। দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বলেন, আমাদের কাগজের বয়স প্রায় ২৯ বছর। আমি এর সঙ্গে ২২ বছর যুক্ত ছিলাম। দীর্ঘ যাত্রায় আমাদের পথচলা মোটামুটি নির্বিঘœ ছিল। তবে সেই যাত্রাটা এখন আর ততটা নির্বিঘœ নেই। এটা আমরা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছি। তথ্যমন্ত্রী এ বিষয়গুলোতে যদি নজর দেন, তাহলে যাত্রাটা আবারো নির্বিঘœ হতে পারে।