বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

আসছে ঈদ বাড়ছে হিলিতে রবিদাসদের ব্যস্ততা

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২২

আর মাত্র কয়েক দিন পর পবিত্র ইদুল ফিতর, ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা বেচা-বিক্রিতে। সেই সাথে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন দিনাজপুরের হিলির রবিদাসরা। গত দুই বছর প্রাণঘাতী করোনার কারণে বন্ধ ছিলো সবকিছু। করোনার প্রভাব কাটিয়ে অনেকটা ভাল আছেন নি¤œ আয়ের এসব রবিদাসরা। শনিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে হিলির হাসপাতাল মোড়, চারমাথা, সিপি ও বাজার ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে চট বিছিয়ে তার উপর বড় একটি কাঠের বাক্স রাখা। এই চট বসে মানুষের জুতা সেলাই করছেন রবিদাসরা। সেখানে জুতা সেলাই ও রং পালিশ করার সকল সরঞ্জাম সাজানো রয়েছে। আপন মনে অন্যের ছেঁড়া জুতা সেলাই করছেন তারা। বিভিন্ন রং ব্রাশ দিয়ে স্বযতেœ পালিশ করছেন রবিদাসরা। বিভিন্ন জুতা সেলাই ১০ থেকে ১৫ টাকা আর রং পালিশ করা ২০ থেকে ৩০ টাকা। গত দুই বছর করোনার কারণে এসব নি¤œ আয়ের মানুষগুলো তারা তাদের দোকান খুলতে পারেনি। অনেক কষ্টে করে চালিয়েছে সংসার, গত দুই বছরের কোন কাজ করতে পারেননি তারা। বর্তমান করোনা প্রভাব নেই, চলছে সবকিছু স্বাভাবিক মতো। সামনে ঈদ, কাজের অর্ডার পাচ্ছেন বেশি রবিদাসরা। সারাদিনে তারা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার কাজ করছেন। হিলি হাসপাতাল মোড়ের রবিদাস রুপলাল বলেন, গত করোনায় আমাদের কাজ-কাম ছিলো না। বর্তমান করোনা নাই, কম-বেশি কাজ পাচ্ছি। ছেলে মেয়েদের নিয়ে ভাল আছি। হিলি চারমাথার রবিদাস মিঠু বলেন, বর্তমান অনেক ভাল আছি, কাজ পাচ্ছি ভাল। জুতা সেলাই ও রং করার পাশাপাশি মানুষের নতুন জুতা তৈরি করে দিচ্ছি। এতে আমার ভাল লাভ হচ্ছে। হিলি বাজারের রবিদাস দিলিপ কুমার বলেন, আমরা হিলিতে প্রায় ২৫ জন মতো রবিদাস আছি। বর্তমান টুকটাক কাজ সবাই পাচ্ছি, সারাদিনে যা হয় তাই ভোগবানের কাছে খুশি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি তাতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার কাজ হয়। এতে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ভালই আছি।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com