বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বিজয় আমাদের খুব কাছাকাছি। বাতি নিভে যাওয়ার আগে হঠাৎ জ্বলে উঠেই নিভে যায়। বাতির মত শেখ হাসিনা সরকার বিদায় নেওয়ার সময় হয়েগেছে। পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করার আগের দিনও বুঝতে পারেনি ওরা আত্মসমর্পণ করবে, তেমনি আ’লীগ নেতারা জানে না ওদের নেত্বী শেখ হাসিনা কখন আত্মসমর্পণ করবে। দক্ষিণ থানা বিএনপির অফিস আওয়ামীলীগের লোক জন হামলা করে ভাংচুর করে কথিত লোক দিয়ে আবার আমাদের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। যারা মামলার বাদী তাদেরকে আমি চিনিও না, জনিও না। যড়যন্ত্র করে আমাদের পেছনে নেওয়া যাবে না। নিত্য প্রয়োজণীয় জিনিসপত্রের দাম শুধু মধ্যেবৃত্ত আর গরিবের মধ্যে বিদ্যমান। তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমানই প্রথমে দেশকে স্বনির্ভর করতে আধুনীক কৃষি, পোষাক শিল্পের সুব্যবস্থা এবং বৈদেশীক মুদ্রা অর্জণের সুযোগ করে দিয়ে ছিলেন। জিয়াউর রহমান যে কাছ করেছেন তা জনগনের পক্ষে কাজ করেছেন। জিয়াউর রহমান যদি সেই দিন স্বাধীনতা ঘষোনা না দিতেন, হয়তো দেশ স্বাধীনই হতো না। যারা আজ তাকে নিয়ে সমলোচনা করছেন তারা নিজেদের দায় সারানোর জন্যই তা করছেন। গতকাল সকালে কেরাণীগঞ্জের মির্জাপুর এলাকার নিজ বাস ভবনের প্রাঙ্গনে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪১ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে ত্রান ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সব কথা বলেন। কেরাণীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সমূহের আয়োজনের অনুষ্ঠানে অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থাণীয় থানা বিএপির সভাপতি এ্যাডভোকেট নিপূন রায় চৌধরী, সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, বিএনপি নেতা আলী হোসেন আলী,হাজী ঈশাখা, হাসান উদ্দিন আহম্মেদ শুভ, হাজী উমর শাহনেওয়াজ, হাজী আরসাদ হোসেনসপু, মো.মতিউর রহমান চঞ্চল, মোস্তাক আহম্মেদ, হাজী বাহার, ইমাম আতিউল্লাহ মেকিং, মো.সেলিম প্রমূখ। যুবদল নেতা সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি এ্যাডভোকেট সেলিম চৌধুরী ,শফিকুল ইসলাম টিটু, সেলিম, মো .সোহেল প্রমূখ। এর পর প্রধান অতিথি বিকেলে উপজেলা দক্ষিণ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সমূহের আয়োজনে আর একটি দুস্থদের মাঝে ত্রান ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।